(১২) অবশ্যই আমি লুকমানকে প্রজ্ঞা দান করেছিলাম, এই মর্মে যে, “তুমি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হও।” যে কেউ কৃতজ্ঞ হয়, সে তো কেবল মাত্র তার নিজের কল্যাণের জন্যেই কৃতজ্ঞ হয়। আর যে কেউ অকৃতজ্ঞ হয়, সুতরাং তার জেনে রাখা উচিত যে, নিশ্চয় আল্লাহ অভাব মুক্ত, প্রশংসিত। (৩১. লোকমান : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) যখন লুকমান তাঁর পুত্রকে উপদেশ দিচ্ছিলেন ও লুকমান তাঁর পুত্রকে বললেন, “হে আমার পুত্র, তুমি আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার করা মহা অন্যায়।” (৩১. লোকমান : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৪) আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে সৎব্যবহার করার জন্যে জোরালো নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের উপরে কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দুই বছরের মধ্যে হয়। এই বলে নির্দেশ দিয়েছি যে, “তুমি আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। আমার নিকটেই তোমাকে ফিরে আসতে হবে। (৩১. লোকমান : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫) পিতা-মাতা যদি আমার সঙ্গে এমন কিছুকে অংশীদার করতে তোমাকে চাপ দেয়, যে সম্পর্কে তোমার কোনো জ্ঞান নেই; তাহলে তুমি তাদের উভয়ের অনুগত্য করো না। আর এই দুনিয়াতে তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করবে। যে ব্যক্তি আমার দিকে অভিমুখী হয়, তুমি তার পথ অনুসরণ করবে। তারপর তোমাদেরকে আমার দিকেই ফিরে আসতে হবে, তখন আমি ঐ বিষয়ে তোমাদেরকে জানিয়ে দিবো, যা তোমরা করতে।” (৩১. লোকমান : ১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) লুকমান তাঁর পুত্রকে বললেন, “হে আমার পুত্র, নিশ্চয় কোনো বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় তারপর বস্তুটি যদি শিলা খন্ডের মধ্যে অথবা আকাশের মধ্যে অথবা পৃথিবীর অভ্যন্তরে থাকে, তবুও আল্লাহ এটিকে উপস্থিত করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ গুপ্ত বিষয়ে সূক্ষ্মদর্শী ও পূর্ণ অবগত। (৩১. লোকমান : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) হে আমার পুত্র! তুমি নামায প্রতিষ্ঠিত করো, সৎকাজের নির্দেশ দাও, মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করো ও তোমার উপরে যাই ঘটুক না কেনো, তাতে তুমি ধৈর্য্যধারণ করো। নিশ্চয় এটা সাহস মূলক কাজের অন্তর্ভুক্ত। (৩১. লোকমান : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) তুমি অহঙ্কার করে মানুষের থেকে তোমার নিজেকে ঘুরিয়ে নিও না। তুমি পৃথিবীর মাঝে দম্ভভরে চলাফেরা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোনো দাম্ভিক অহঙ্কারীকে ভালোবাসেন না। (৩১. লোকমান : ১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস