(৫১) আমি যদি এমন বাতাস প্রেরণ করি, যার ফলে তারা শস্যকে নষ্ট হয়ে যেতে দেখে, তখন তারা এর পরে আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করতে থাকে। (৩০. আর রূম : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) নিশ্চয় আপনি মৃতদেরকে কুরআনের আহবান শুনাতে পারবেন না। আর আপনি বধিরকেও কুরআনের আহবান শুনাতে পারবেন না, যখন তারা পিঠ ফিরিয়ে চলে যায়। (৩০. আর রূম : ৫২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৩) আপনি অন্ধদেরকে তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে মুক্ত করে সঠিক পথ দেখাতে পারবেন না। সুতরাং যারা আমার প্রতি অনুগত, তারা আমার বাণী সমূহের প্রতি বিশ্বাস করে, এদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে আপনি কুরআন শুনাতে পারবেন না। (৩০. আর রূম : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে দূর্বল অবস্থা থেকে সৃষ্টি করেন, এরপর দূর্বলতার পরে শক্তি দিয়েছেন, তারপর শক্তি লাভের পরে দুর্বলতা ও বার্ধক্য দিয়েছেন। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন আর তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (৩০. আর রূম : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৫) যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সেই দিন অপরাধীরা শপথ করে বলবে যে, “আমরা এক মুহুর্ত ব্যতীত বেশী সময় পৃথিবীতে অবস্থান করিনি।” এইভাবেই তারা অজ্ঞ হয়ে সত্য বিমুখ হতো। (৩০. আর রূম : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) আর যাদেরকে জ্ঞান ও ধর্ম বিশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তারা বলবে, “অবশ্যই তোমরা আল্লাহর গ্রন্থের বিধান অনুসারে পুনরায় জীবিত হওয়ার দিন পর্যন্ত পৃথিবীতে অবস্থান করেছিলে। সুতরাং এটাই পুনরায় জীবিত হওয়ার দিন, কিন্তু তোমরা তা জানতে না।” (৩০. আর রূম : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) সুতরাং যারা অন্যায় করেছিলো, সেই দিন তাদের অজুহাত কোনো উপকারে আসবে না। আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগ তাদেরকে দেওয়া হবে না। (৩০. আর রূম : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) অবশ্যই আমি এই কুরআনের মধ্যে মানুষের জন্যে সব ধরনের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছি। আপনি যদি তাদের কাছে কোনো নিদর্শন নিয়ে আসেন, তথাপিও অবিশ্বাসীরা অবশ্যই বলবে যে, “তোমরা সবাই মিথ্যাপন্থী ব্যতীত অন্য কিছুই নও।” (৩০. আর রূম : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৬০) সুতরাং আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন। নিশ্চয় আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য। যারা আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস করে না, তারা যেনো আপনাকে দুর্বলরূপে না পায়। (৩০. আর রূম : ৬০)
- ব্যাখ্যা