(৪২) আপনি বলুন, “তোমরা পৃথিবীর মধ্যে পরিভ্রমণ করো, তারপর তোমরা চেয়ে দেখো যে, তাদের পরিণাম কেমন হয়েছে, যারা তোমাদের পূর্বে ছিলো। তাদের অধিকাংশই ছিলো অংশীবাদী।” (৩০. আর রূম : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) অতএব আপনি সেই দিন আসার পূর্বে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মের উপরে প্রতিষ্ঠিত করুন, যে দিনকে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিরোধ করা হবে না। সেই দিন মানুষ ও জ্বিন বিভক্ত হয়ে পড়বে। (৩০. আর রূম : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, তবে সেই দিন তার উপরেই তার অবিশ্বাসের দায় থাকবে। আর যে ব্যক্তি সৎকাজ করে, তাহলে তারা তাদের নিজেদের বেহেশতের জন্যেই সুখশয্যা তৈরী করছে। (৩০. আর রূম : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) যেনো আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহ থেকে প্রতিদান দেন, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে। নিশ্চয় আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে ভালোবাসেন না। (৩০. আর রূম : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে এক নিদর্শন এই যে, তিনি সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন, যেনো তিনি তাঁর অনুগ্রহের স্বাদ তোমাদেরকে গ্রহণ করান। আর যেনো তাঁর নির্দেশে জাহাজ বয়ে চলে। যেনো তোমরা তাঁর অনুগ্রহকে অনুসন্ধান করো। যেনো তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হও। (৩০. আর রূম : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) অবশ্যই আপনার আগে আমি রসূলগণকে তাঁদের নিজ জাতির কাছে প্রেরণ করেছি। সুতরাং তাঁরা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শন সমূহ নিয়ে এসেছিলেন। তারপর আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিলাম, যারা অপরাধ করেছিলো। বস্তুত আমার উপরে দায়িত্ব হচ্ছে বিশ্বাসীদেরকে সাহায্য করা। (৩০. আর রূম : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) তিনিই আল্লাহ, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন, তারপর বাতাস মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে। তারপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশের মধ্যে ছড়িয়ে দেন ও তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। তারপর আপনি দেখেন মেঘমালার ভিতর থেকে বৃষ্টি বেরিয়ে আসছে। তারপর যখন তিনি নিজ বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা এ বৃষ্টি পৌঁছিয়ে দেন, তখন তারা আনন্দিত হয়। (৩০. আর রূম : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৫০) অতএব, আপনি আল্লাহর অনুগ্রহের প্রভাব দেখেনিন, কিভাবে তিনি ভূমিকে তার মৃত্যুর পরে জীবিত করেন! নিশ্চয় তিনি এইভাবে মৃতদেরকে জীবিত করবেন। আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৩০. আর রূম : ৫০)
- ব্যাখ্যা