(৩৩) মানুষকে যখন কোনো বিপদ স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের প্রভু আল্লাহর প্রতি অভিমুখী হয়ে, তাঁকে আহবান করে। তারপর তিনি যখন তাদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে অনুগ্রহের স্বাদ গ্রহণ করান, তখন তাদের মধ্যে এক দল তাদের প্রভুর সঙ্গে অংশীদার করতে থাকে, (৩০. আর রূম : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) যেনো তারা ঐ অনুগ্রহকে অস্বীকার করে, যে অনুগ্রহ আমি তাদেরকে দিয়েছি। সুতরাং তোমরা মজা ভোগ করে নাও, তারপর শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে যে, আল্লাহর শাস্তি কেমন কঠিন! (৩০. আর রূম : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) যখন আমি মানুষকে অনুগ্রহের স্বাদ গ্রহণ করাই, তখন তারা এ কারণে আনন্দ করে। আর তাদের কৃতকর্মের কারণে যদি তাদের উপরে কোনো বিপদ এসে পড়ে, তখন তারা হতাশ হয়ে পড়ে। (৩০. আর রূম : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তবে তারা কি দেখে না যে, আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা বর্ধিত করেন ও হ্রাস করেন। নিশ্চয় এর মধ্যে বিশ্বাসী জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (৩০. আর রূম : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) কাজেই আপনি নিকট আত্মীয়কে, নিঃস্বকে ও পথচারীকে তাদের প্রাপ্য দান করুন। এটিই তাদের জন্যে উত্তম, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। বস্তুত এরাই হচ্ছে সাফল্য প্রাপ্ত। (৩০. আর রূম : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) মানুষের সম্পদের মাধ্যমে তোমাদের সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, এই আশায় তোমরা সুদে যা কিছু দিয়ে থাকো, সুতরাং আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়, যাকাতের মধ্যে তোমরা যা কিছু দিয়ে থাকো, তাহলে এরাই হচ্ছে আল্লাহর নিকট সমৃদ্ধশালী। (৩০. আর রূম : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) আল্লাহ যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদেরকে জীবিকা দিয়েছেন। তারপর তোমাদেরকে মৃত্যু দিবেন, তারপর তোমাদেরকে পুনরায় জীবিত করবেন। তোমাদের অংশীদারদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে, যে দেবতা এসব কাজের মধ্যে কোনো কিছু করতে পারে? তারা যা কিছুকে অংশীদার করে, আল্লাহ তা থেকে পবিত্র ও সুউচ্চ। (৩০. আর রূম : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) মানুষের দুই হাত যে পাপ অর্জন করেছে, সেই পাপের কারণে স্থলে ও সমুদ্রে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। যেনো তারা যা করেছিলো সেই জন্যে আল্লাহ তাদেরকে কিছুটা শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাতে পারেন, যেনো তারা আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। (৩০. আর রূম : ৪১)
- ব্যাখ্যা