(২৫) তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে এক নিদর্শন এই যে, তাঁর আদেশেই আকাশ ও পৃথিবী প্রতিষ্ঠিত আছে। তারপর যখন ভূমি থেকে উঠার জন্যে তোমাদেরকে আল্লাহ ডাক দিবেন, তখন তোমরা উঠে আসবে। (৩০. আর রূম : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তিনিই আল্লাহ, যিনি সৃষ্টির সূচনা করেছেন, তারপর তিনি তা পুনরায় সৃষ্টি করবেন। আর এটি তাঁর জন্যে সহজ। নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁর জন্যেই। তিনি হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৩০. আর রূম : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদেরই মধ্যে থেকে একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছেন, তোমাদেরকে আমি যে জীবিকা দিয়েছি, তোমাদের দাস-দাসীরা কি তোমাদের এই সম্পদের কোনো অংশের সমান অংশীদার। যার ফলে তোমরা ও দাস-দাসীরা একসমান হয়ে যাও? তোমরা কি তাদেরকে সেই রূপ ভয় করো, যেরূপ তোমরা তোমাদের নিজেদের লোকদেরকে ভয় করো? এইভাবে আমি ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন সমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করি, যারা জ্ঞান রাখে। (৩০. আর রূম : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) বরং যারা অন্যায় করে, তারা জ্ঞানহীনতার কারণে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। অতএব, আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে কে সৎপথে পরিচালিত করবে? বস্তুত তাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই। (৩০. আর রূম : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) সুতরাং আপনি একনিষ্ঠ ভাবে আপনার নিজেকে ধর্মের উপরে প্রতিষ্ঠিত রাখুন। আপনি আল্লাহর ঐ উত্তম বৈশিষ্ট্যের উপরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখুন, যার উপরে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির নিয়ম-নীতির মধ্যে কোনো পরিবর্তন নেই। এটাই হচ্ছে সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। (৩০. আর রূম : ৩০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩১) আপনি তাঁর প্রতি অভিমুখী হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখুন। আপনি কেবল মাত্র তাঁকেই ভয় করুন ও নামায প্রতিষ্ঠিত করুন আর আপনি অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। (৩০. আর রূম : ৩১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩২) আপনি তাদের দলের অন্তর্ভুক্ত হবেন না, যারা তাদের ধর্মকে বিভক্ত করেছে ও তারা অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বস্তুত তারা এমন ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে যে, তাদের প্রত্যেক দলই তাদের নিজ নিজ ধর্ম নিয়ে উল্লাস করে। (৩০. আর রূম : ৩২)
- ব্যাখ্যা