(৬৪) এই পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। নিশ্চয় পরকালের ঘরই প্রকৃত জীবন; যদি তারা এই বিষয়গুলো জানতো। (২৯. আল আনকাবুত : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) তারা যখন জাহাজের মধ্যে আরোহণ করে ও কোনো বিপদে পড়ে, তখন তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহকে ডাকে। তারপর আল্লাহ যখন তাদেরকে উদ্ধার করে স্থলে নিয়ে আসেন, তখনই তারা আল্লাহর সাথে অন্যকে অংশীদার করে। (২৯. আল আনকাবুত : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) যেনো তারা ঐ অনুগ্রহ সম্পর্কে অস্বীকার করে, যা আমি তাদেরকে দান করেছিলাম এবং তারা ভোগবিলাসে ডুবে থাকে। সুতরাং শীঘ্রই তারা সত্য বিষয় জানতে পারবে। (২৯. আল আনকাবুত : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) তবে কি তারা দেখে না যে, আমি পবিত্র স্থান মক্কাকে নিরাপদ বানিয়েছি। অথচ এই মক্কার চারদিকে যেসকল মানুষ আছে, তাদের উপর আক্রমণ করা হয়। তবে কি তারা মিথ্যার উপরেই বিশ্বাস করবে এবং আল্লাহর অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে? (২৯. আল আনকাবুত : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
(৬৮) তার চাইতে কে বেশী অন্যায়কারী, যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা রচনা করে অথবা সত্য কুরআনকে অস্বীকার করে, যখন সত্য কুরআন তার কাছে আসে? সুতরাং তার কি এই বিষটি স্মরণ রাখা উচিত নয় যে, দোযখই হবে অবিশ্বাসীদের ঠিকানা। (২৯. আল আনকাবুত : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
(৪) কয়েক বছরের মধ্যেই। এই ঘটনার আগে ও পরে সকল কাজ বাস্তবায়ন আল্লাহর হাতেই রয়েছে। আর সেই দিন বিশ্বাসীগণ আনন্দিত হবে। (৩০. আর রূম : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস