(৫৩) তারা আপনাকে শাস্তি দ্রুত করতে বলে। যদি শাস্তির সময় নির্ধারিত না থাকতো, তাহলে অবশ্যই তাদের উপরে শাস্তি এসে যেতো। অবশ্যই হঠাৎ করে তাদের উপরে এ শাস্তি এসেই যাবে, অথচ তারা টেরও পাবে না। (২৯. আল আনকাবুত : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) যেদিন শাস্তি তাদেরকে তাদের মাথার উপর থেকে ও তাদের পায়ের নীচ থেকে ঘেরাও করবে আর সেই দিন আল্লাহ বললেন, “তোমরা ইতিপূর্বে যা করছিলে, ঐ কারণে আজ শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো।” (২৯. আল আনকাবুত : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে বেহেশতের এমন সুউচ্চ প্রাসাদের মাঝে বসবাস করাবো, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। সৎকর্মীদের পুরস্কার কতই না উত্তম! (২৯. আল আনকাবুত : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৬০) অনেক জীব এমনো আছে, যারা তাদের খাদ্য সঞ্চয় করে না। আল্লাহই তাদেরকে ও তোমাদেরকে জীবিকা দেন। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (২৯. আল আনকাবুত : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, “কে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন আর সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছে?” তবে তারা অবশ্যই বলবে, “আল্লাহ”। সুতরাং তারা কোথায় ফিরে যাচ্ছে? (২৯. আল আনকাবুত : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) আল্লাহ নিজ বান্দাদের মধ্যে যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা প্রশস্ত করে দেন ও যার জন্যে ইচ্ছা সঙ্কুচিত করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব বিষয়ে পরিজ্ঞাত। (২৯. আল আনকাবুত : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, “কে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, তারপর এ পানি দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে পুনরায় জীবিত করেন?” তবে তারা অবশ্যই বলবে, “আল্লাহ”। আপনি বলুন, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যেই।” বরং তাদের অধিকাংশই তা বুঝে না। (২৯. আল আনকাবুত : ৬৩)
- ব্যাখ্যা