(৪৬) তোমরা গ্রন্থপ্রাপ্তদের সঙ্গে তর্ক করো না, তবে সেইভাবে তর্ক ব্যতীত যা উত্তম পন্থায় হয়; তবে তাদের সঙ্গে তর্ক নয়, যারা অন্যায় করে। তোমরা বলো, “আমরা ঐ সকল গ্রন্থের প্রতি বিশ্বাস করি, যা আমাদের প্রতি ও তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই আর আমরা তাঁর প্রতিই অনুগত।” (২৯. আল আনকাবুত : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) এভাবেই আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ অবর্তীণ করেছি। সুতরাং যাদেরকে আমি গ্রন্থ দিয়েছিলাম, তারা এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করে। আর এই মক্কা বাসীদের মধ্যেও এমনো লোক রয়েছে যারা এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করে। বস্তুত অবিশ্বাসীরাই আমার বাণী সমূহকে অস্বীকার করে থাকে। (২৯. আল আনকাবুত : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আপনি তো এর আগে কোনো গ্রন্থ পাঠ করেননি। আর আপনি আপনার স্বীয় ডান হাত দিয়ে কোনো গ্রন্থ লিখেননি। এরূপ হলে তখন ভ্রান্তপথ অবলম্বনকারীরা অবশ্যই সন্দেহ পোষণ করতো। (২৯. আল আনকাবুত : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) বরং যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, তাদের হৃদয়ের মধ্যে এই বিশ্বাস রয়েছে যে, এই কুরআন হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বাণী। বস্তুত অন্যায়কারীরাই আমার বাণী সমূহকে অস্বীকার করে থাকে। (২৯. আল আনকাবুত : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) তারা বলে, “তাঁর প্রভুর পক্ষ থেকে কেনো তাঁর উপরে নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না?” আপনি বলুন, “নিদর্শন অবতীর্ণ করার ক্ষমতা কেবল মাত্র আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয় আমি তো কেবল মাত্র একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।” (২৯. আল আনকাবুত : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) তবে কি এটি তাদের জন্যে যথেষ্ট নয় যে, আমি আপনার প্রতি ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যে কুরআন তাদের কাছে পাঠ করা হয়। নিশ্চয় এ কুরআনের মধ্যে বিশ্বাসী জাতির জন্যে দয়া ও উপদেশ রয়েছে। (২৯. আল আনকাবুত : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) আপনি বলুন, “আমার মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে আল্লাহই সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই তিনি জানেন। বস্তুত যারা মিথ্যার প্রতি বিশ্বাস করে ও আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, এরাই হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত।” (২৯. আল আনকাবুত : ৫২)
- ব্যাখ্যা