(৩৯) আমি কারূন, ফিরআউন ও হামানকে ধ্বংস করেছিলাম। অবশ্যই মূসা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে এসে ছিলেন। তারপর তারা দেশের মধ্যে দম্ভ করেছিলো। কিন্তু তারা আমার শাস্তিকে এড়িয়ে যেতে পারেনি। (২৯. আল আনকাবুত : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) সুতরাং আমি প্রত্যেককেই তার অপরাধের কারণে পাকড়াও করেছিলাম। অতএব তাদের মধ্যে কেউ এমন ছিলো যার উপরে আমি পাথড় বর্ষণকারী বাতাস প্রেরণ করেছিলাম। আর তাদের মধ্যে কেউ এমন ছিলো যাকে মহা গর্জন পাকড়াও করেছিলো। আর তাদের মধ্যে কেউ এমন ছিলো যাকে সহ আমি পৃথিবীকে ধসিয়ে দিয়েছি। আর তাদের মধ্যে কেউ এমন ছিলো যাকে আমি ডুবিয়ে মেরেছিলাম। আল্লাহ তাদের প্রতি অন্যায় করেননি; কিন্তু তারা নিজেরাই তাদের নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছে। (২৯. আল আনকাবুত : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে মাকড়সার দৃষ্টান্তের ন্যায়। মাকড়সা তার নিজের জন্যে ঘর বানায়। নিশ্চয় সব ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই হচ্ছে অধিক দুর্বল। যদি তারা জানতো! (২৯. আল আনকাবুত : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) এসকল দৃষ্টান্ত সমূহ আমি মানুষের জন্যে বর্ণনা করি, যেনো তারা বুঝতে পারে, কিন্তু কেবল মাত্র জ্ঞানীরা ব্যতীত কেউ এগুলো বুঝতে পারে না। (২৯. আল আনকাবুত : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট ধর্ম গ্রন্থ কুরআনকে পাঠ করুন। আপনি নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল কাজ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণই সর্বশ্রেষ্ঠ স্মরণ। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা জানেন। (২৯. আল আনকাবুত : ৪৫)
- ব্যাখ্যা