(৩১) যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতারা ইব্রাহীমের কাছে পুত্র সন্তানের সুসংবাদ নিয়ে এসেছিলো, তখন ফেরেশতারা বললো, “নিশ্চয় আমরা এই জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করবো। নিশ্চয় এর অধিবাসীরা হচ্ছে অন্যায়কারী।” (২৯. আল আনকাবুত : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) ইব্রাহীম বললেন, “নিশ্চয় এই জনপদের মধ্যে লূত রয়েছে।” ফেরেশতারা বললো, “সেখানে কে আছে, ঐ সম্পর্কে আমরা ভালোই জানি। আমরা অবশ্যই তাকে ও তাঁর পরিবারকে রক্ষা করবো, তবে তাঁর স্ত্রীকে ব্যতীত; সে হচ্ছে পেছনে পড়ে থাকা দলের অন্তর্ভূক্ত।” (২৯. আল আনকাবুত : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতারা লূতের কাছে এলো, তখন তাদের কারণে তিনি বিষন্ন হয়ে পড়লেন এবং তাঁর মন দুশ্চিন্তায় সংকীর্ণ হয়ে গেলো এবং তাদেরকে রক্ষা করার বিষয়ে নিজেকে অসহায় মনে করলেন। ফেরেশতারা বলেছিলেন, “আপনি ভয় করবেন না ও আপনি দুঃখ করবেন না। নিশ্চয় আমরা আপনাকে ও আপনার পরিবারকে রক্ষা করবো, তবে আপনার স্ত্রী ব্যতীত, সে হচ্ছে পেছনে পড়ে থাকা দলের অন্তর্ভূক্ত। (২৯. আল আনকাবুত : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) আমি মাদইয়ান বাসীদের প্রতি তাদের ভাই শুআইয়বকে প্রেরণ করেছিলাম। তারপর তিনি বলেছিলেন যে, “হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো। তোমরা শেষ দিনের আশা করো ও আল্লাহকে ভয় করো। আর তোমরা পৃথিবীর মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করো না।” (২৯. আল আনকাবুত : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) কিন্তু তারা শুআইয়বকে মিথ্যাবাদী বললো। সুতরাং তাদেরকে ভূমিকম্প আক্রমন করলো। সুতরাং তারা তাদের নিজেদের ঘরের মধ্যে উপুড় হয়ে পড়ে রইলো। (২৯. আল আনকাবুত : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) আমি আদ ও ছামূদ জাতিকে ধ্বংস করেছিলাম। ইতিপূর্বেই তাদের ঘরের পরিনতির দৃশ্য থেকে তাদের অবস্থা তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট করা হয়েছে। শয়তান তাদের কাজ-কর্মকে তাদের কাছে সুশোভিত করেছিলো, তারপর তাদেরকে সৎপথ থেকে বাধা দিয়েছিলো, যদিও তারা ছিলো তীক্ষদৃষ্টি সম্পন্ন ও হুশিয়ার। (২৯. আল আনকাবুত : ৩৮)
- ব্যাখ্যা