(১৭) তাদের উদাহরণ ঐ ব্যক্তির উদাহরণের মতো, যে ব্যক্তি কোথাও আগুন জ্বালালো, তারপর (আগুন) যখন তার চার দিককে স্পষ্ট করে তুললো, (ঠিক এমনি সময়) আল্লাহ তাদের আলোকে উঠিয়ে নিলেন এবং তাদেরকে অন্ধকারের মধ্যে ছেড়ে দিলেন। (ফলে) তারা কিছুই দেখতে পায় না। (২. আল বাক্বারাহ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৯) অথবা (তাদের উদাহরণ হচ্ছে এমন ব্যক্তির) মতো, (যারা) আকাশ থেকে (আসা ঐ ঝড় বৃষ্টির রাতের মতো পথ চলে), যে ঝড়ের মধ্যে অন্ধকার, গর্জন ও বিদ্যুৎচমক থাকে। তারা বজ্রের শব্দে মৃত্যুর ভয়ে তাদের কানের ভিতরে আঙ্গুল রেখে (রক্ষা পেতে চায়)। অথচ আল্লাহ সকল অবিশ্বাসীদেরকে পরিবেষ্টন করে আছেন। (২. আল বাক্বারাহ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০) বিদ্যুতের ঝলকানি যেনো তাদের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ছিনিয়ে নেয়। যখনই বিদ্যুৎ তাদের জন্যে আলোকিত হয়, তারা এ আলোর মধ্যে হেটে চলে। আবার যখন তাদের উপরে অন্ধকার হয়ে যায়, তখন তারা দাঁড়িয়ে থাকে। যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তাহলে অবশ্যই তাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নিতে পারতেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (২. আল বাক্বারাহ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের প্রভুর উপাসনা করো, যিনি তোমাদেরকে ও যারা তোমাদের পূর্বে ছিলো তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেনো তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। (২. আল বাক্বারাহ : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) (তোমরা ঐ আল্লাহর উপাসনা করো,) যিনি তোমাদের জন্যে ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ বানিয়েছেন। আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, এরপর এ পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে জীবিকা হিসেবে জমি থেকে ফসল বের করেছেন। অতএব, তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে সমকক্ষ করো না। বস্তুত এসব বিষয় তোমরা জানো। (২. আল বাক্বারাহ : ২২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৩) যদি তোমরা কুরআনের বিষয়ে সন্দেহের মধ্যে থাকো, যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে তোমরা এর মতো একটি সূরা রচনা করে আনো ও আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমাদের সাহায্যকারীদেরকে ডাকো, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো। (২. আল বাক্বারাহ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) কিন্তু তোমরা যদি (একটি সূরা রচনা করে নিয়ে আনতে) না পারো আর তোমরা কখনো তা করতে পারবেও না, তাহলে তোমরা (ঐ দোযখের) আগুনকে ভয় করো, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। (নিশ্চয় দোযখের ঐ আগুনকে) অবিশ্বাসীদের জন্যে প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। (২. আল বাক্বারাহ : ২৪)
- ব্যাখ্যা