(২৪) তখন ইব্রাহীমের জাতির কাছে এ ছাড়া অন্য কোনো উত্তর ছিলো না যে, তারা বললো, “তাঁকে হত্যা করো অথবা তাঁকে পুড়িয়ে ফেলো।” তারপর আল্লাহ তাঁকে আগুন থেকে রক্ষা করলেন। নিশ্চয় এর মধ্যে বিশ্বাসী জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (২৯. আল আনকাবুত : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) ইব্রাহীম আরো বললেন, “এই পার্থিব জীবনে তোমাদের নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্যে তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে কেবল মাত্র প্রতিমা গুলোকে বন্ধু রূপে গ্রহণ করেছো। তারপর কিয়ামতের দিন তোমরা তোমাদের একপক্ষ অপর পক্ষকে অস্বীকার করবে আর তোমরা তোমাদের একপক্ষ অপর পক্ষকে অভিশাপ দিবে। তোমাদের ঠিকানা হবে আগুন ও তোমাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।” (২৯. আল আনকাবুত : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) তারপর লূত ইব্রাহীমের প্রতি বিশ্বাস করলেন। ইব্রাহীম বলেছিলেন, “নিশ্চয় আমি আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করবো। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” (২৯. আল আনকাবুত : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) আমি ইব্রাহীমকে ইসহাক ও ইয়াকুব দিয়েছিলাম। আমি তাঁর বংশধরদের মধ্যে নবুওয়ত ও ধর্ম গ্রন্থ বজায় রেখেছিলাম। আমি দুনিয়ার মধ্যে তাঁকে তাঁর পুরস্কার প্রদান করেছিলাম। নিশ্চয় তিনি পরকালেও সৎকর্মীদের অন্তর্ভূক্ত হবেন। (২৯. আল আনকাবুত : ২৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৮) আপনি লূতকে স্মরণ করুন। যখন তিনি তার জাতিকে বলেছিলেন যে, “নিশ্চয় তোমরা এমন অশ্লীল কাজে আকৃষ্ট হয়েছো, যা তোমাদের পূর্বে বিশ্ববাসীর কোনো একজন ব্যক্তিও করেনি। (২৯. আল আনকাবুত : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) তোমরা কি পুরুষদের কাছে যৌন চাহিদার জন্যে এসে থাকো, তোমরা ডাকাতির জন্যে রাজপথ গুলো বিচ্ছিন্ন করে থাকো আর তোমরা তোমাদের জনসভা সমূহের মধ্যে জঘন্য কাজ করার উদ্দেশ্যে এসে থাকো?” তারপর তাঁর জাতির কাছে এ ব্যতীত অন্য কোনো উত্তর ছিলো না যে, তারা বলেছিলো, “তুমি আমাদের কাছে আল্লাহর শাস্তিকে নিয়ে এসো, যদি তুমি সত্যবাদী হও।” (২৯. আল আনকাবুত : ২৯)
- ব্যাখ্যা