(১৬) আপনি ইব্রাহীমকে স্মরণ করুন। যখন তিনি তাঁর জাতিকে বললেন, “তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো ও তাঁকে ভয় করো। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জানতে! (২৯. আল আনকাবুত : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কেবল মাত্র প্রতিমাদের পূজা করছো ও তোমরা মিথ্যা উদ্ভাবন করছো। নিশ্চয় তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে পূজা করছো, তারা তোমাদেরকে জীবিকা দেওয়ার কোনো ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং তোমরা আল্লাহর কাছে জীবিকা অনুসন্ধান করো ও তোমরা তাঁর উপাসনা করো ও তোমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। বস্তুত তাঁর কাছেই তোমরা ফিরে যাবে।” (২৯. আল আনকাবুত : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) তোমরা যদি রসূলকে মিথ্যাবাদী বলো, তবে তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলোও মিথ্যাবাদী বলেছে। স্পষ্টভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া ছাড়া রসূলের উপরে অন্য কোনো দায়িত্ব নেই। (২৯. আল আনকাবুত : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তবে কি তারা দেখে না যে, আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টি কর্ম শুরু করেছেন, তারপর তা পুনরায় সৃষ্টি করবেন? নিশ্চয় সৃষ্টি করার বিষয়টি আল্লাহর কাছে সহজ। (২৯. আল আনকাবুত : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) আপনি বলুন, “তোমরা পৃথিবীর মধ্যে ভ্রমণ করো, তারপর তোমরা দেখো, আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টি শুরু করেছিলেন। তারপর আল্লাহ ঐ সৃষ্টিকে আরেকবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।” (২৯. আল আনকাবুত : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২২) তোমরা নভোমন্ড ও ভূমন্ডলের মধ্যে আল্লাহর শাস্তিকে এড়িয়ে যেতে পারবে না। আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই। (২৯. আল আনকাবুত : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) যারা আল্লাহর বাণীর প্রতি ও আল্লাহর সাক্ষাতকে অস্বীকার করে, এরাই আল্লাহর দয়া থেকে নিরাশ হয়েছে আর এদের জন্যেই বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (২৯. আল আনকাবুত : ২৩)
- ব্যাখ্যা