(৭) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজ গুলো তাদের থেকে দূর করে দিবো। আর তারা যা করছিলো, সেই জন্যে আমি অবশ্যই তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিবো। (২৯. আল আনকাবুত : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে সৎ ব্যবহার করার জোরালো নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সঙ্গে এমন কিছুকে অংশীদার করার জন্যে চেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তাহলে তুমি তাদের উভয়ের আনুগত্য করো না। আমার দিকেই তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে। তারপর আমি তোমাদেরকে ঐ সম্পর্কে বলে দিবো, যা কিছু তোমরা করছিলে। (২৯. আল আনকাবুত : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) মানুষের মধ্যে এমনো মানুষ রয়েছে যে ব্যক্তি বলে যে, “আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছি।” কিন্তু আল্লাহর পথে যখন তাকে কষ্ট দেওয়া হয়, তখন সে মানুষের নির্যাতনকে আল্লাহর শাস্তির মতো মনে করে। যদি আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো সাহায্য আসে, তবে দ্বিমুখীরা অবশ্যই বলবে, “নিশ্চয় আমরা তোমাদের সঙ্গেই ছিলাম।” বিশ্ববাসীর হৃদয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, আল্লাহ কি ঐ সম্পর্কে ভালো জানেন না? (২৯. আল আনকাবুত : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১২) অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদেরকে বলে যে, “তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ করো। তাহলে আমরা তোমাদের পাপের ভার বহন করবো।” অথচ অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদের পাপের ভার বহন করবে না। অবশ্যই তারা মিথ্যাবাদী। (২৯. আল আনকাবুত : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) তারা অবশ্যই নিজেদের পাপ ভার ও তার সঙ্গে আরো কিছু পাপ ভার বহন করবে। কিয়ামতের দিনে তাদেরকে ঐ সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞেস করা হবে, যে মিথ্যা তারা উদ্ভাবন করেছিলো। (২৯. আল আনকাবুত : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) ইতিপূর্বে আমি নূহকে তাঁর জাতির কাছে প্রেরণ করেছিলাম। তারপর তিনি তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করেছিলেন। তারপর তাদেরকে মহাপ্লাবণ পাকড়াও করলো। যেহেতু তারা অত্যাচারী জাতি ছিলো। (২৯. আল আনকাবুত : ১৪)
- ব্যাখ্যা