(৮৫) নিশ্চয় যিনি আপনার উপরে কুরআনের বিধানকে অপরিহার্য করেছেন, তিনি অবশ্যই আপনাকে আপনার স্বদেশের দিকে ফিরিয়ে আনবেন। আপনি বলুন “আমার প্রভু ভালো জানেন কে পথ-নির্দেশ নিয়ে এসেছে আর কে সুস্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৬) আপনি আশা করতেন না যে, আপনার প্রতি গ্রন্থ অবতীর্ণ হবে। এ কুরআন আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে দয়া স্বরূপ। সুতরাং আপনি অবিশ্বাসীদের জন্যে সাহায্যকারী হবেন না। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮৬)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) আল্লাহর বাণী আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হওয়ার পরে, এই অবিশ্বাসীরা যেনো আপনাকে আল্লাহর বাণী থেকে বিমুখ করে না দেয়। আপনি মানুষকে আপনার প্রভুর দিকে ডাকুন। আর আপনি কখনো অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
(৮৮) আপনি আল্লাহর সঙ্গে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহর সত্তা ব্যতীত সব কিছুই ধ্বংসশীল। বিধান তাঁর জন্যেই ও তোমরা তাঁর কাছেই ফিরে আসবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
(২) মানুষ কি মনে করে যে, তাদেরকে সহজেই ছেড়ে দেওয়া হবে, যদি তারা একথা বলে যে, “আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করি।” আর তারা কি মনে করে যে, তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না? (২৯. আল আনকাবুত : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) অবশ্যই আমি ইতিপূর্বে ওদেরকেও পরীক্ষা করেছি, যারা তাদের পূর্বে ছিলো। সুতরাং আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে জেনে নিবেন, যারা সত্যবাদী আর অবশ্যই মিথ্যাবাদীদেরকে জেনে নিবেন। (২৯. আল আনকাবুত : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৫) যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে, সুতরাং তার জেনে রাখা উচিত যে, নিশ্চয় আল্লাহর নির্ধারিত সাক্ষাতের সময় অবশ্যই আসবে। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (২৯. আল আনকাবুত : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) যে কেউ কষ্ট স্বীকার করে, তাহলে নিশ্চয় সে নিজের জন্যেই কষ্ট স্বীকার করে। নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বজগতের সব কিছু থেকে অভাব মুক্ত। (২৯. আল আনকাবুত : ৬)
- ব্যাখ্যা