(৭৮) কারূন বললো, “নিশ্চয় আমি এসব সম্পদ আমার জ্ঞানবলে লাভ করেছি।” সে কি জানে না যে, আল্লাহ তার আগে অনেক জাতিকে ধ্বংস করেছেন, যারা শক্তিতে তার চেয়েও প্রবল ছিলো ও জনশক্তিতেও অধিক ছিলো? অপরাধীদেরকে তাদের পাপ কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে না, কেননা আল্লাহ তাদের অপরাধ সম্পর্কে ভালো ভাবেই জানেন। (২৮. আল ক্বাসাস : ৭৮)
- ব্যাখ্যা
(৭৯) তারপর কারূন জাঁকজমক সহকারে তার জাতির সামনে বের হয়েছিলো। যারা পার্থিব জীবন কামনা করেছিলো, তারা বললো, “হায়, কারূনকে যা দেওয়া হয়েছে, আমাদেরকেও যদি তার মতো দেওয়া হতো! নিশ্চয় সে বড় সৌভাগ্যের অধিকারী।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৭৯)
- ব্যাখ্যা
(৮০) আর যারা জ্ঞান প্রাপ্ত হয়েছিলো, তার বললো, “আফসোস তোমাদের জন্যে, আল্লাহর দেওয়া পুরস্কারই তাদের জন্যে উৎকৃষ্ট, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে। আর ধৈর্য্যশীলরা ব্যতীত এ পুরস্কারের সাক্ষাৎ কেউ পায় না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৮০)
- ব্যাখ্যা
(৮১) তারপর আমি কারূনকে ও তার প্রাসাদকে ভূগর্ভের মধ্যে বিলীন করে দিলাম। তখন তার জন্যে আল্লাহ ব্যতীত এমন কোনো দল ছিলো না, যারা তাকে সাহায্য করতে পারে আর কারূন নিজেও নিজেকে আত্মরক্ষা করতে পারেনি। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮২) গতকাল যারা কারূনের মতো হওয়ার কামনা করতো, তারা সকালে বলতে লাগলো, “হায়! আমরা তো একথা ভুলেই গিয়েছিলাম যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা বর্ধিত করেন ও হ্রাস করেন। যদি না এমন হতো যে, আল্লাহ আমাদের প্রতি সদয় হতেন, তবে আমাদেরকেও আল্লাহ ভূগর্ভের মধ্যে বিলীন করতেন। হায়! আমরা তো একথা ভুলেই গিয়েছিলাম যে, যে ব্যক্তি অবিশ্বাসী হয়ে যায়, ঐ ব্যক্তি সাফল্য প্রাপ্ত হয় না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) এই পরকালের ঘর আমি তাদের জন্যে নির্ধারিত করি, যারা পৃথিবীর মধ্যে বাড়াবাড়ি করতে ও অনর্থ সৃষ্টি করতে চায় না। বস্তুত পরহেযগারদের জন্যে শুভ পরিণাম রয়েছে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) যে কেউ ভালো কাজ নিয়ে আসবে, তবে তার জন্যে এর চেয়েও উত্তম প্রতিদান রয়েছে। আর যে ব্যক্তি মন্দ কাজ নিয়ে আসবে, তাহলে যা তারা করেছিলো ঐ কাজের সমপরিমাণ প্রতিদান তাদেরকে দেওয়া হবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮৪)
- ব্যাখ্যা