(৭১) আপনি বলুন, “তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি আল্লাহ তোমাদের উপরে রাতকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন উপাস্য আছে, যে তোমাদের জন্যে সূর্যকে নিয়ে আসবে? তোমরা কি তবুও কুরআন শুনবে না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৭১)
- ব্যাখ্যা
(৭২) আপনি বলুন, “তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি আল্লাহ তোমাদের উপরে দিনকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন উপাস্য আছে, যে তোমাদের জন্যে রাতকে নিয়ে আসবে, যেনো তোমরা তার মধ্যে বিশ্রাম করতে পারো? তোমরা কি তবুও কুরআন সম্পর্কে ভেবে দেখবে না?” (২৮. আল ক্বাসাস : ৭২)
- ব্যাখ্যা
(৭৩) আল্লাহ স্বীয় দয়ায় তোমাদের জন্যে রাত ও দিন বানিয়েছেন, যেনো তোমরা রাতের মধ্যে বিশ্রাম করতে পারো ও দিনের মধ্যে তোমরা তাঁর অনুগ্রহকে অনুসন্ধান করতে পারো। আর যেনো তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারো। (২৮. আল ক্বাসাস : ৭৩)
- ব্যাখ্যা
(৭৫) প্রত্যেক জাতি থেকে আমি একজন সাক্ষী বের করে আনবো; তারপর আমি বলবো, “তোমরা তোমাদের অংশীদারদের সম্পর্কে প্রমাণ নিয়ে এসো।” তখন তারা জানতে পারবে যে, সত্য উপাসনা আল্লাহর জন্যেই। আর তারা যা কিছু উদ্ভাবন করতো, তা তাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে যাবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৭৫)
- ব্যাখ্যা
(৭৬) নিশ্চয় কারূন ছিলো মূসার জাতির অন্তর্ভুক্ত। তারপর কারূন মূসার জাতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলো। আমি তাকে এতো বেশী ধনভান্ডার দিয়েছিলাম যে, নিশ্চয় যার চাবিগুলো বহন করা কয়েকজন শক্তিশালী লোকের পক্ষেও কষ্টসাধ্য ছিলো। যখন তার জাতির লোকেরা তাকে বললো, “তুমি দম্ভ করো না, নিশ্চয় আল্লাহ দাম্ভিকদেরকে ভালোবাসেন না। (২৮. আল ক্বাসাস : ৭৬)
- ব্যাখ্যা
(৭৭) আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে তুমি পরকালের ঘর অনুসন্ধান করো। তুমি ইহকাল থেকে তোমার অংশ ভূলে যেয়ো না। তুমি ভালো কাজ করো, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি ভালো করেছেন। তুমি পৃথিবীর মধ্যে অনর্থ সৃষ্টি করতে চেষ্টা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ অনর্থ সৃষ্টিকারীদেরকে ভালোবাসেন না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৭৭)
- ব্যাখ্যা