শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


وَمَآ أُوتِيتُم مِّن شَيۡءٖ فَمَتَٰعُ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَزِينَتُهَاۚ وَمَا عِندَ ٱللَّهِ خَيۡرٞ وَأَبۡقَىٰٓۚ أَفَلَا تَعۡقِلُونَ ٦٠
(৬০) তোমাদেরকে যা কিছু দেওয়া হয়েছে, তা হলো পার্থিব জীবনের ভোগ ও পার্থিব জীবনের শোভা। আর আল্লাহর কাছে যা কিছু আছে, তা উত্তম ও স্থায়ী। সুতরাং তোমরা কি বুঝো না? (২৮. আল ক্বাসাস : ৬০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أَفَمَن وَعَدۡنَٰهُ وَعۡدًا حَسَنٗا فَهُوَ لَٰقِيهِ كَمَن مَّتَّعۡنَٰهُ مَتَٰعَ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا ثُمَّ هُوَ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ مِنَ ٱلۡمُحۡضَرِينَ ٦١
(৬১) যাকে আমি বেহেশতের উত্তম প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সুতরাং ঐ বেহেশত সে পাবে, তবে কি সে ঐ ব্যক্তির মতো, যাকে আমি পার্থিব জীবনের ভোগ-সম্ভার দিয়েছি, তারপর সে কিয়ামতের দিনে অভিযুক্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে? (২৮. আল ক্বাসাস : ৬১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَيَوۡمَ يُنَادِيهِمۡ فَيَقُولُ أَيۡنَ شُرَكَآءِيَ ٱلَّذِينَ كُنتُمۡ تَزۡعُمُونَ ٦٢
(৬২) সেই দিন আল্লাহ তাদেরকে ডাকবেন, তারপর বলবেন, “কোথায় আমার অংশীদাররা, যাদেরকে তোমরা আমার অংশীদার করেছিলে?” (২৮. আল ক্বাসাস : ৬২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ ٱلَّذِينَ حَقَّ عَلَيۡهِمُ ٱلۡقَوۡلُ رَبَّنَا هَٰٓؤُلَآءِ ٱلَّذِينَ أَغۡوَيۡنَآ أَغۡوَيۡنَٰهُمۡ كَمَا غَوَيۡنَاۖ تَبَرَّأۡنَآ إِلَيۡكَۖ مَا كَانُوٓاْ إِيَّانَا يَعۡبُدُونَ ٦٣
(৬৩) যাদের উপরে শাস্তির আদেশ অবধারিত হয়েছে, ঐ অংশীদাররা বলবে, “হে আমাদের প্রভু। এরাই তারা, যাদেরকে আমরা পথভ্রষ্ট করেছিলাম। আমরা তাদেরকে তাদের ইচ্ছায় পথভ্রষ্ট করেছিলাম, যেমন আমরা আমাদের ইচ্ছায় পথভ্রষ্ট হয়েছিলাম। আমরা আপনার সামনে দায়মুক্ত হচ্ছি। তারা কেবল মাত্র আমাদেরকেই উপাসনা করতো না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَقِيلَ ٱدۡعُواْ شُرَكَآءَكُمۡ فَدَعَوۡهُمۡ فَلَمۡ يَسۡتَجِيبُواْ لَهُمۡ وَرَأَوُاْ ٱلۡعَذَابَۚ لَوۡ أَنَّهُمۡ كَانُواْ يَهۡتَدُونَ ٦٤
(৬৪) অংশীবাদীদেরকে বলা হবে, “তোমরা তোমাদের অংশীদারদেরকে আহবান করো।” তখন তারা তাদের অংশীদারদেরকে আহবান করবে। তারপর ঐ অংশীদাররা তাদের আহবানের প্রতি সাড়া দিবে না ও তারা তখন তাদের নিজেদের শাস্তি দেখতে পাবে। হায়! যদি এমন হতো যে, তারা সৎপথ প্রাপ্ত হতো। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَيَوۡمَ يُنَادِيهِمۡ فَيَقُولُ مَاذَآ أَجَبۡتُمُ ٱلۡمُرۡسَلِينَ ٦٥
(৬৫) সেই দিন আল্লাহ তাদেরকে ডাকবেন ও বলবেন, “তোমরা রসূলগণকে কি উত্তর দিয়েছিলে?” (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَعَمِيَتۡ عَلَيۡهِمُ ٱلۡأَنۢبَآءُ يَوۡمَئِذٖ فَهُمۡ لَا يَتَسَآءَلُونَ ٦٦
(৬৬) তারপর সেই দিন তাদের কথাবার্তা বন্ধ হয়ে যাবে, তখন তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করতে পারবে না। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَمَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا فَعَسَىٰٓ أَن يَكُونَ مِنَ ٱلۡمُفۡلِحِينَ ٦٧
(৬৭) তবে তার ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাহলে আশা করা যায় যে, সে সাফল্য প্রাপ্ত হবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَرَبُّكَ يَخۡلُقُ مَا يَشَآءُ وَيَخۡتَارُۗ مَا كَانَ لَهُمُ ٱلۡخِيَرَةُۚ سُبۡحَٰنَ ٱللَّهِ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ ٦٨
(৬৮) আপনার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন ও যাকে ইচ্ছা নিজের কাজের জন্যে মনোনীত করেন। বস্তুত মনোনীত করার ব্যাপারে তাদের কোনো ক্ষমতা নেই। আল্লাহ পবিত্র ও তারা যাকে অংশীদার করে, তা থেকে তিনি বহু উর্ধ্বে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَرَبُّكَ يَعۡلَمُ مَا تُكِنُّ صُدُورُهُمۡ وَمَا يُعۡلِنُونَ ٦٩
(৬৯) তাদের অন্তরে যা গোপন করে ও যা তারা প্রকাশ করে, আপনার প্রভু তা জানেন। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَهُوَ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ لَهُ ٱلۡحَمۡدُ فِي ٱلۡأُولَىٰ وَٱلۡأٓخِرَةِۖ وَلَهُ ٱلۡحُكۡمُ وَإِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ ٧٠
(৭০) আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। ইহকাল ও পরকালে তাঁর জন্যেই সকল প্রশংসা। সকল বিধান তাঁরই ক্ষমতাধীন। তোমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরিয়ে আনা হবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৭০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা