(৬০) তোমাদেরকে যা কিছু দেওয়া হয়েছে, তা হলো পার্থিব জীবনের ভোগ ও পার্থিব জীবনের শোভা। আর আল্লাহর কাছে যা কিছু আছে, তা উত্তম ও স্থায়ী। সুতরাং তোমরা কি বুঝো না? (২৮. আল ক্বাসাস : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) যাকে আমি বেহেশতের উত্তম প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সুতরাং ঐ বেহেশত সে পাবে, তবে কি সে ঐ ব্যক্তির মতো, যাকে আমি পার্থিব জীবনের ভোগ-সম্ভার দিয়েছি, তারপর সে কিয়ামতের দিনে অভিযুক্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে? (২৮. আল ক্বাসাস : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) যাদের উপরে শাস্তির আদেশ অবধারিত হয়েছে, ঐ অংশীদাররা বলবে, “হে আমাদের প্রভু। এরাই তারা, যাদেরকে আমরা পথভ্রষ্ট করেছিলাম। আমরা তাদেরকে তাদের ইচ্ছায় পথভ্রষ্ট করেছিলাম, যেমন আমরা আমাদের ইচ্ছায় পথভ্রষ্ট হয়েছিলাম। আমরা আপনার সামনে দায়মুক্ত হচ্ছি। তারা কেবল মাত্র আমাদেরকেই উপাসনা করতো না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) অংশীবাদীদেরকে বলা হবে, “তোমরা তোমাদের অংশীদারদেরকে আহবান করো।” তখন তারা তাদের অংশীদারদেরকে আহবান করবে। তারপর ঐ অংশীদাররা তাদের আহবানের প্রতি সাড়া দিবে না ও তারা তখন তাদের নিজেদের শাস্তি দেখতে পাবে। হায়! যদি এমন হতো যে, তারা সৎপথ প্রাপ্ত হতো। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) তবে তার ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাহলে আশা করা যায় যে, সে সাফল্য প্রাপ্ত হবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
(৬৮) আপনার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন ও যাকে ইচ্ছা নিজের কাজের জন্যে মনোনীত করেন। বস্তুত মনোনীত করার ব্যাপারে তাদের কোনো ক্ষমতা নেই। আল্লাহ পবিত্র ও তারা যাকে অংশীদার করে, তা থেকে তিনি বহু উর্ধ্বে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
(৭০) আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। ইহকাল ও পরকালে তাঁর জন্যেই সকল প্রশংসা। সকল বিধান তাঁরই ক্ষমতাধীন। তোমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরিয়ে আনা হবে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৭০)
- ব্যাখ্যা