(৫৩) আর যখন তাদের কাছে কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তারা বলে, “আমরা এর প্রতি বিশ্বাস করলাম। নিশ্চয় এ কুরআন আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে প্রেরিত সত্য গ্রন্থ। নিশ্চয় আমরা এর আগেও আমাদের প্রভুর প্রতি অনুগত ছিলাম।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) এদেরকেই এদের প্রতিদান দুইবার দেওয়া হবে, যেহেতু তারা ধৈর্য্যধারণ করেছিলো। আর তারা মন্দকে ভালো দিয়ে প্রতিরোধ করে ও আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, ঐ জীবিকা থেকে তারা ব্যয় করে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) তারা যখন বাজে কথা শুনে, তখন তারা ঐ বাজে কথা থেকে সরে যায় এবং তারা বলে, “আমাদের জন্যে আমাদের কাজ আর তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজ। তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। আমরা অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হতে চাই না।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) নিশ্চয় আপনি যাকে ভালোবাসেন, তাকে আপনি সৎপথ প্রদর্শন করতে পারবেন না, কিন্তু আল্লাহই যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। বস্তুত আল্লাহ সৎপথ প্রাপ্তদের সম্পর্কে ভালো জানেন। (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৭) তারা বলে, “যদি আমরা আপনার সঙ্গে সৎপথ অনুসরণ করি, তাহলে আমাদেরকে আমাদের দেশ থেকে উচ্ছেদ করা হবে।” আমি কি তাদের জন্যে একটি নিরাপদ পবিত্র স্থান মক্কা শহর প্রতিষ্ঠিত করিনি? যেখানে আমার পক্ষ থেকে জীবিকা স্বরূপ সর্বপ্রকার ফল-মূল আনা হয়। কিন্তু তাদের অধিকাংশই এই বিষয়টি জানে না। (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৮) আমি কতো জনপদ ধবংস করেছি, ঐ জনপদের অধিবাসীরা তাদের প্রাচুর্যের কারণে অহঙ্কার করতো। তারপর এইগুলো তাদের ঘর এখন খালি পড়ে আছে। তাদের পরে এসব ঘরে মানুষ সামান্য সময় ব্যতীত বেশী দিন বসবাস করেনি। অবশেষে আমিই হচ্ছি এইসব ঘরের উত্তরাধিকারী। (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) আপনার প্রভু জনপদ সমূহকে ধ্বংসকারী ছিলেন না, যে পর্যন্ত না, ঐ জনপদের মাতৃভূমির মধ্যে এমন একজন রসূল প্রেরণ করেন, যিনি তাদের কাছে আমার বাণী পাঠ করেন। আমি জনপদ সমূহকে তখনই ধ্বংস করি, যখন তার অধিবাসীরা অন্যায়কারী হয়। (২৮. আল ক্বাসাস : ৫৯)
- ব্যাখ্যা