(৬) আর আমি ইচ্ছা করলাম যে, দূর্বল দলকে দেশের মধ্যে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে। আর ফিরআউন, হামান ও তাদের সেনাবাহিনীকে আমি ঐ পরাজয়কে দেখিয়ে দেই, যে পরাজয় তারা দূর্বল দলের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করছিলো। (২৮. আল ক্বাসাস : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) আমি মূসার মায়ের কাছে আদেশ পাঠালাম যে, “তুমি মূসাকে দুধ পান করাতে থাকো। তারপর যখন তাঁর সম্পর্কে বিপদের আশঙ্কা করো, তখন তাঁকে নদীতে ফেলে দিও। তুমি ভয় করো না ও তুমি দুঃখ করো না। নিশ্চয় আমি তাঁকে তোমার কাছে ফিরিয়ে দিবো ও তাঁকে রসূল বানাবো।” (২৮. আল ক্বাসাস : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) তারপর ফিরআউনের পরিবার মূসাকে তুলে নিলো, যেনো মূসা তাদের জন্যে শত্রু ও দুঃখের কারণ হয়ে যান। নিশ্চয় ফিরআউন, হামান, ও তাদের সৈন্যবাহিনী অপরাধী ছিলো। (২৮. আল ক্বাসাস : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) ফিরআউনের স্ত্রী ফিরআউনকে বললো, “এ শিশু আমার ও তোমার চোখের জন্যে শান্তিদায়ক। তুমি তাঁকে হত্যা করো না। হয়তো এমন হতে পারে যে, সে আমাদের উপকারে আসবে অথবা আমরা তাঁকে পুত্ররূপে গ্রহণ করবো।” বস্তুত তারা প্রকৃত পরিণাম সম্পর্কে কিছুই বুঝতে পারলো না। (২৮. আল ক্বাসাস : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) মূসার মায়ের অন্তর অস্থির হয়ে পড়লো। নিশ্চয় সে মূসা সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করেই দিতো, যদি না আমি তার হৃদয়ের উপরে দৃঢ়তা দিতাম, যেনো সে আমার অঙ্গীকারের প্রতি বিশ্বাসী হয়। (২৮. আল ক্বাসাস : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) মূসার মা মূসার বোনকে বললো, “তাঁর পিছনে যাও।” কাজেই মূসার বোন মূসার প্রতি দূর থেকে লক্ষ্য রেখেছিলো আর ফিরআউনের দল বিষয়টি বুঝতেও পারেনি। (২৮. আল ক্বাসাস : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আগে থেকেই আমি ধাত্রীদেরকে মূসার কাছ থেকে বিরত রেখেছিলাম। তখন মূসার বোন বললো, “আমি কি আপনাদেরকে এমন এক ঘরের বাসিন্দাদের সম্পর্কে বলে দিবো, যারা আপনাদের জন্যে মূসাকে লালন-পালন করবে ও তারা তাঁর মঙ্গলকামী হবে?” (২৮. আল ক্বাসাস : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) তারপর আমি মূসাকে তাঁর মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যেনো তার চোখ জুড়িয়ে যায় ও যেনো সে দুঃখ না করে ও যেনো সে জানতে পারে যে, আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য। কিন্তু মানুষের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ এই বিষয়গুলো জানে না। (২৮. আল ক্বাসাস : ১৩)
- ব্যাখ্যা