(৮৯) যে কেউ সৎকাজ নিয়ে আসবে, তবে তার জন্যে এ সৎকাজের চেয়েও উত্তম প্রতিদান থাকবে আর তারা সেই দিনের ভীতি থেকে নিরাপদ থাকবে। (২৭. আন নমল : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
(৯০) আর যে কেউ মন্দ কাজ নিয়ে আসবে, তবে তাদেরকে তাদের মুখের উপরে ভর দেওয়া অবস্থায় আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে। আর তাদেরকে বলা হবে যে, “তোমাদের অপরাধের কারণে তোমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।” (২৭. আন নমল : ৯০)
- ব্যাখ্যা
(৯১) আপনি বলুন, “আমাকে আদেশ করা হয়েছে যে, আমি কেবল মাত্র এই মক্কা শহরের প্রভু আল্লাহর উপাসনা করবো, যিনি এ মক্কা শহরকে পবিত্র করেছেন। সব উপাসনা তাঁর জন্যেই। আর আমাকে আদেশ করা হয়েছে যে, আমি আত্মসমর্পণ-কারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাই। (২৭. আন নমল : ৯১)
- ব্যাখ্যা
(৯২) আর আমাকে আদেশ করা হয়েছে যে, আমি যেনো কুরআন পাঠ করি।” সুতরাং যে ব্যক্তি সৎপথে চলে, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের কল্যাণের জন্যেই সৎপথে চলে। আর যে কেউ বিপথে যায়, সুতরাং আপনি বলে দিন, “আমি তো কেবল মাত্র একজন সতর্ককারী।” (২৭. আন নমল : ৯২)
- ব্যাখ্যা
(৯৩) আপনি আরো বলুন, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে। তিনি শীঘ্রই তাঁর নিদর্শন সমূহ তোমাদেরকে দেখাবেন। তখন তোমরা তা চিনতে পারবে।” বস্তুত তোমরা যা করো, ঐ সম্পর্কে আপনার প্রভু অমনোযোগী নন। (২৭. আন নমল : ৯৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) নিশ্চয় ফিরআউন তার দেশের মধ্যে দাম্ভিক হয়েছিলো ও সে দেশের অধিবাসীদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করেছিলো। সে তাদের মধ্যে থেকে একটি দলকে দূর্বল করে রেখেছিলো। সে তাদের পুত্র সন্তানদেরকে হত্যা করতো ও নারী সন্তানদেরকে জীবিত রাখতো। নিশ্চয় সে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ছিলো। (২৮. আল ক্বাসাস : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) আমি ইচ্ছা করলাম যে, তাদের প্রতি অনুগ্রহ করতে, যাদেরকে দেশের মধ্যে দূর্বল করে রাখা হয়েছিলো। তাদেরকে নেতা বানাতে ও তাদেরকে দেশের উত্তরাধিকারী বানাতে। (২৮. আল ক্বাসাস : ৫)
- ব্যাখ্যা