(৮১) আপনি অন্ধদেরকে তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে মুক্ত করে সঠিক পথে আনতে পারবেন না। যারা আমার নিদর্শন সমূহের প্রতি বিশ্বাস করে, তাদেরকে ব্যতীত আপনি অন্য কাউকে কুরআন শুনাতে পারবেন না। অতএব, বিশ্বাসীরাই আনুগত্য স্বীকারকারী। (২৭. আন নমল : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮২) যখন কিয়ামতের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে, তখন আমি তাদের সামনে ভূগর্ভ থেকে একটি জীব বের করে আনবো। ঐ জীবটি তাদের সঙ্গে কথা বলবে। এ কারণে যে, মানুষ আমার নিদর্শন সমূহের প্রতি বিশ্বাস করতো না। (২৭. আন নমল : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) সেই দিন আমি এমন প্রত্যেক জাতির মধ্যে থেকে একেক দলকে একত্রিত করবো, যারা আমার নিদর্শন সমূহের প্রতি মিথ্যা বলতো। তারপর তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করা হবে। (২৭. আন নমল : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) অবশেষে যখন ঐ সকল দল সমূহ উপস্থিত হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ বলবেন, “তোমরা কি আমার নিদর্শন সমূহের প্রতি মিথ্যা বলেছিলে? অথচ এগুলো সম্পর্কে তোমরা কোনো জ্ঞান আয়ত্ত্ব করতে পারোনি। অথবা তোমরা অন্য আর কী অপরাধ করেছিলে?” (২৭. আন নমল : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
(৮৫) সেই দিন তাদের উপরে শাস্তির প্রতিশ্রুতিটি বাস্তবায়িত হবে, যেহেতু তারা অন্যায় করেছিলো। তখন তারা কোনো কিছু বলতে পারবে না। (২৭. আন নমল : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) তারা কি দেখে না যে, আমি রাত সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্যে ও দিনকে করেছি দৃশ্যমান। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐসব জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে। (২৭. আন নমল : ৮৬)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) যেদিন সিঙ্গার মধ্যে ফুঁ দেওয়া হবে, তখন যে কেউ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে আছে, তারা সবাই ভীত হয়ে পড়বে, তবে সে ব্যতীত যার প্রতি আল্লাহ ইচ্ছা করবেন। সবাই তাঁর কাছে বিনীত অবস্থায় আসবে। (২৭. আন নমল : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
(৮৮) আপনি পাহাড়কে দেখে অচল মনে করেন, অথচ সেই দিন এগুলো মেঘমালার মতো চলমান হবে। এটা আল্লাহর সৃষ্টি কৌশল, যিনি সব কিছুকে সুনিপুণভাবে সৃষ্টি করেছেন। তোমরা যা কিছু করো, নিশ্চয় তিনি ঐ সম্পর্কে পূর্ণ অবগত আছেন। (২৭. আন নমল : ৮৮)
- ব্যাখ্যা