(৫৬) কিন্তু তাঁর জাতির কাছে এ ব্যতীত অন্য কোনো উত্তর ছিলো না যে, তারা বললো, “তোমরা লূতের পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। নিশ্চয় এরা তো এমন লোক, যারা পবিত্র থাকতে চায়।” (২৭. আন নমল : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) তারপর আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে উদ্ধার করলাম, তবে তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। কেননা, আমি তাকে পিছনে পড়ে থাকা লোকদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। (২৭. আন নমল : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) আপনি বলুন, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে। তাঁর মনোনীত বান্দাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক।” আর আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, “আল্লাহ কি শ্রেষ্ঠ, না কি তারা শ্রেষ্ঠ যাদেরকে তারা অংশীদার করে?” (২৭. আন নমল : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) অথবা কে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন ও আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে কে পানি বর্ষণ করেন? তারপর এ পানি দ্বারা আমি শোভাময় বাগান উৎপন্ন করি। এটি তোমাদের পক্ষে সম্ভব নয় যে, তোমরা পৃথিবীর গাছপালা উৎপন্ন করবে। সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বরং তারা সত্য ত্যাগকারী জাতি। (২৭. আন নমল : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) অথবা কে পৃথিবীকে বাসোবাসের উপযোগী করেছেন ও এর মাঝে নদী প্রবাহিত করেছেন ও এর জন্যে পাহাড় দাঁড় করেছেন ও দুটি সমুদ্রের মধ্যখানে এক ব্যবধান তৈরী করেছেন? সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই সত্যকে জানে না। (২৭. আন নমল : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) অথবা কে বিপদ গ্রস্তের প্রতি সাড়া দেন, যখন বিপদ গ্রস্ত তাঁকে ডাকে ও কে বিপদ দূর করে দেন ও কে তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি বানিয়েছেন? সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? তোমরা অতি সামান্যই উপদেশ গ্রহণ করো। (২৭. আন নমল : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) অথবা কে তোমাদেরকে স্থলে ও সমুদ্রের অন্ধকারের মধ্যে পথ দেখান ও কে তাঁর স্বীয় অনুগ্রহ বৃষ্টির পূর্বে সুসংবাদ দাতারূপে বাতাস প্রেরণ করেন? সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? তারা যাকে অংশীদার করে, আল্লাহ তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে। (২৭. আন নমল : ৬৩)
- ব্যাখ্যা