(৪৫) অবশ্যই আমি ছামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালেহকে এই মর্মে প্রেরণ করেছিলাম যে, “তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো।” তারপর যখন তারা দুই দল হয়ে গেলো, তখন তারা পরস্পরে বিবাদ করতে লাগলো। (২৭. আন নমল : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) সালেহ বললেন, “হে আমার জাতি, তোমরা কল্যাণের পূর্বে অকল্যাণকে কেনো দ্রুত কামনা করছো? তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছো না কেনো, যেনো তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও?” (২৭. আন নমল : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) তারা বললো, “হে সালেহ! তোমাকে আর সঙ্গীরদেরকে আমরা অশুভ মনে করি।” সালেহ বললেন, “তোমাদের অমঙ্গল আল্লাহর কাছে রয়েছে; বরং তোমরা এমন এক জাতি, যাদেরকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।” (২৭. আন নমল : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) ঐ নয়জন দলপতি বললো, “তোমরা পরস্পরে আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করো যে, আমরা অবশ্যই রাত্রিকালে সালেহকে ও তার পরিবারকে আক্রমণ করবো। তারপর অবশ্যই আমরা তার দাবীদারকে বলবো যে, তার পরিবারের হত্যাকান্ডে আমরা উপস্থিত ছিলাম না আর অবশ্যই আমরা সত্যবাদী।” (২৭. আন নমল : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫১) অতএব, আপনি চেয়ে দেখুন, তাদের চক্রান্তের পরিণাম কেমন হয়েছিলো। নিশ্চয় আমি তাদেরকে ও তাদের গোটা জাতিকে ধ্বংস করেছিলাম। (২৭. আন নমল : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) সুতরাং এই তো তাদের ঘর জনশূন্য হয়ে পড়ে আছে, যেহেতু তারা অন্যায় করেছিলো। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন আছে, যারা জ্ঞান রাখে। (২৭. আন নমল : ৫২)
- ব্যাখ্যা