(১৫) অবশ্যই আমি দাউদ ও সুলায়মানকে জ্ঞান দান করেছিলাম। তাঁরা উভয়ে বলেছিলেন, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি আমাদেরকে তাঁর অনেক বিশ্বাসী বান্দার উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।” (২৭. আন নমল : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) সুলায়মান দাউদের উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন। সুলায়মান বলেছিলেন, “ওহে জনগণ, আমাদেরকে উড়ন্ত পাখীদের ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়েছে আর আমাদেরকে সব কিছু দেওয়া হয়েছে। নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট শ্রেষ্ঠত্ব।” (২৭. আন নমল : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) সুলায়মানের সামনে তার সেনাবাহিনী জ্বিন, মানুষ ও পাখীদেরকে সমবেত করা হয়েছিলো। তারপর তাদেরকে বিভিন্ন সারিতে বিভক্ত করা হলো। (২৭. আন নমল : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) অবশেষে যখন তারা পিপীলিকার উপত্যকার নিকট পৌঁছালো, তখন এক পিপীলিকা বললো, “হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের ঘরে প্রবেশ করো। নয়তো সুলায়মান ও তাঁর বাহিনী না বুঝে তোমাদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে।” (২৭. আন নমল : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) সুতরাং ঐ পিপীলিকার কথা শুনে সুলায়মান মৃদ্যু হাসলেন ও বললেন, “হে আমার প্রভু, তুমি আমাকে অনুমতি দাও, যেনো আমি তোমার সেই অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমার ও আমার পিতা-মাতার উপরে দান করেছো। আমি যেনো ঐ সৎকর্ম করতে পারি, যা তুমি পছন্দ করো। তুমি আমাকে তোমার নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মশীল বান্দাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করো।” (২৭. আন নমল : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২২) তারপর সুলায়মান কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন, তখন হুদহুদ এসে বললো, “আপনি যে সম্পর্কে অবগত নন, আমি ঐ সম্পর্কে অবগত হয়েছি। আমি আপনার কাছে সাবা দেশ থেকে সুনিশ্চিত সংবাদ নিয়ে এসেছি। (২৭. আন নমল : ২২)
- ব্যাখ্যা