(৪) নিশ্চয় যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, আমি তাদের জন্যে তাদের দৃষ্টিতে তাদের কাজকে সুশোভিত করে দিয়েছি। সুতরাং তারা উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়। (২৭. আন নমল : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৭) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ঐ সময়কে স্মরণ করুন, যখন মূসা তাঁর পরিবারকে বললেন যে, “নিশ্চয় আমি আগুনের আভাস পাচ্ছি। আমি শীঘ্রই সেখান থেকে তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসবো অথবা আমি তোমাদের কাছে জ্বলন্ত অঙ্গার নিয়ে আসবো। যেনো তোমরা আগুন পোহাতে পারো।” (২৭. আন নমল : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) তারপর যখন তিনি আগুনের কাছে এলেন, তখন আওয়াজ দেওয়া হলো যে, “ধন্য তিনি যে ফেরেশতা আগুনের মধ্যে আছে আর যে মূসা আগুনের আশেপাশে আছে। সকল পবিত্রতা বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর জন্যে। (২৭. আন নমল : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) আপনি আপনার লাঠি নিক্ষেপ করুন।” তারপর যখন তিনি লাঠিকে সাপের ন্যায় দৌড়াদৌড়ি করতে দেখলেন, তখন তিনি বিপরীত দিকে ছুটতে লাগলেন আর পিছন ফিরে তাকালেন না। আমি বললাম, “হে মূসা, আপনি ভয় করবেন না। নিশ্চয় আমি আপনার পাশেই আছি, আমার কাছে রসূলগণ ভয় করে না। (২৭. আন নমল : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১২) আর আপনার হাত আপনার জামার পকেটের মধ্যে প্রবেশ করান, আপনার হাত কোনো ত্রুটি ছাড়া সাদা হয়ে বেরিয়ে আসবে। এগুলো ফিরআউন ও তার জাতির নিকট প্রেরিত নয়টি নিদর্শনের অন্তর্গত। নিশ্চয় তারা হচ্ছে অবাধ্য জাতি।” (২৭. আন নমল : ১২)
- ব্যাখ্যা