(৬৮) তারাই আল্লাহর প্রকৃত বান্দা, যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য উপাস্যকে ডাকে না। তারা এমন কোনো লোককে হত্যা করে না, যাকে হত্যা করা আল্লাহ নিষেধ করেছেন, তবে এ ব্যতীত যে, ন্যায় সঙ্গত ভাবে তারা হত্যা করে ও তারা ব্যভিচার করে না। যে ব্যক্তি এ ধরনের কাজ করে, সে বড় ধরনের পাপ অর্জন করে। (২৫. আল ফুরকান : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬৯) কিয়ামতের দিনে এমন অপরাধীদের জন্যে শাস্তিকে দ্বিগুন করা হবে। আর তারা দোযখের মধ্যে লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে। (২৫. আল ফুরকান : ৬৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭০) তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, সুতরাং এদের পাপকে আল্লাহ পুণ্য দিয়ে পরিবর্তন করে দিবেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২৫. আল ফুরকান : ৭০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭২) আর তারাই আল্লাহর প্রকৃত বান্দা, যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না। আর তারা যখন অর্থহীন ক্রিয়াকর্মের পাশ দিয়ে যায়, তখন তারা মান রক্ষার্থে ভদ্রভাবে পাশ কেটে যায়। (২৫. আল ফুরকান : ৭২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭৩) আর তারাই আল্লাহর প্রকৃত বান্দা, যারা এমন যে, তাদেরকে যখন তাদের প্রভুর বাণী সমূহ স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, তখন তারা ঐ বাণী সমূহের উপরে দ্বিমুখীদের মতো অন্ধ ও বধির হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে না। (২৫. আল ফুরকান : ৭৩)
- ব্যাখ্যা
(৭৪) আর তারাই আল্লাহর প্রকৃত বান্দা, যারা বলে যে, “হে আমাদের প্রভু, আপনি আমাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে আল্লাহ ভীরুদের জন্যে নেতা বানিয়ে দিন।” (২৫. আল ফুরকান : ৭৪)
- ব্যাখ্যা
(৭৫) এরাই তারা, যাদেরকে বেহেশতে প্রতিদান হিসেবে উত্তম ঘর দেওয়া হবে, যেহেতু তারা ধৈর্য্যধারণ করেছিলো আর তাদেরকে বেহেশতের মধ্যে দোয়া ও সালাম সহকারে অভ্যর্থনা করা হবে। (২৫. আল ফুরকান : ৭৫)
- ব্যাখ্যা
(৭৭) আপনি বলুন, “তোমরা যদি আল্লাহকে না ডাকো, তবে আল্লাহর কিছুই যায় আসে না। হে কাফেরগণ! অবশ্যই তোমরা আল্লাহর বাণী সমূহকে মিথ্যা বলেছো। সুতরাং শীঘ্রই তোমাদের উপরে অনিবার্য শাস্তি অবতীর্ণ হবে।” (২৫. আল ফুরকান : ৭৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস