(৫৭) আপনি বলুন, “আমি তোমাদের কাছে এ আহবানের জন্যে কোনো পারিশ্রমিক চাই না, তবে যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে, সে তার প্রভুর দিকে পথ অবলম্বন করুক।” (২৫. আল ফুরকান : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) আপনি ঐ চিরঞ্জীবের উপরে ভরসা করুন, যিনি কখনোই মারা যাবেন না। আর আপনি তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করুন। আল্লাহ তাঁর স্বীয় বান্দাদের পাপ সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত আছেন। (২৫. আল ফুরকান : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এ দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি সিংহাসনের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আল্লাহ অতি দয়াময়। অতএব আল্লাহর সম্পর্কে যে ব্যক্তি অবগত, আপনি তাকে জিজ্ঞেস করুন। (২৫. আল ফুরকান : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) তাদেরকে যখন বলা হয়, “তোমরা দয়াময় আল্লাহকে সেজদা করো”, তখন তারা বলে, “দয়াময় আল্লাহ আবার কে? আপনি আমাদেরকে যার সম্পর্কে আদেশ করবেন, আমরা কি তাকেই সেজদা করবো?” বস্তুত এ আদেশ তাদের জন্যে আল্লাহর প্রতি বিমুখতা আরও বাড়িয়ে দেয়। (সেজদা-৮) (২৫. আল ফুরকান : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) আল্লাহ কল্যাণময়, যিনি নভোমন্ডলের মধ্যে তারকারাজি সৃষ্টি করেছেন। আর এই নভোমন্ডলের মধ্যে এক উজ্জ্বল সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র বানিয়েছেন। (২৫. আল ফুরকান : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) তিনিই আল্লাহ, যিনি রাত ও দিনকে তাদের জন্যে পরিবর্তনশীল বানিয়েছেন, যারা চায় যে, আল্লাহর উপদেশকে গ্রহণ করতে অথবা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে। (২৫. আল ফুরকান : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) অতি দয়াময় আল্লাহর প্রকৃত বান্দারা হচ্ছে তারাই, যারা পৃথিবীর উপরে নম্রভাবে চলাফেরা করে আর যখন তাদের সঙ্গে অজ্ঞ লোকেরা তর্ক করার উদ্দেশ্যে কথা বলতে থাকে, তখন তারা অজ্ঞ লোকদেরকে বলে, “তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক, নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে তর্ক করবো না।” (২৫. আল ফুরকান : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) আর তারাই আল্লাহর প্রকৃত বান্দা, যারা বলে, “হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদের থেকে দোযখের শাস্তিকে সরিয়ে রাখুন। নিশ্চয় দোযখের শাস্তি হচ্ছে এমন যে, তা সব কিছুকে বিনাশ করে দেয়। (২৫. আল ফুরকান : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) আর তারাই আল্লাহর প্রকৃত বান্দা, যারা যখন সম্পদ ব্যয় করে, তখন অযথা ব্যয় করে না ও কৃপণতা করে না, বরং তারা এ দুয়ের মধ্যবর্তী অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত থাকে। (২৫. আল ফুরকান : ৬৭)
- ব্যাখ্যা