(৪৪) অথবা আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশই শুনে অথবা বুঝে? বরং তারা চতুষ্পদ জন্তুর মতো, বরং তারা আরো অধিক পথভ্রষ্ট। (২৫. আল ফুরকান : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৫) আপনি কি আপনার প্রভুর নিদর্শনের প্রতি লক্ষ্য করেননি, তিনি কিভাবে ছায়াকে বিস্তার করেন? তিনি যদি ইচ্ছা করতেন, তবে অবশ্যই এ ছায়াকে স্থির রাখতে পারতেন। তারপর আমি সূর্যকে এ ছায়ার মাধ্যমে নামাযের জন্যে নির্দেশক বানিয়েছি। (২৫. আল ফুরকান : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৮) তিনিই আল্লাহ, যিনি তাঁর স্বীয় দয়ার পূর্বে বাতাসকে বৃষ্টির সুসংবাদ রূপে প্রেরণ করেন। আর আমি আকাশ থেকে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করি। (২৫. আল ফুরকান : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৯) যেনো আমি এ পানি দ্বারা মৃত ভূখন্ডকে জীবন দান করতে পারি। আর আমার সৃষ্ট বহু গবাদি পশু ও মানুষকে যেনো আমি ঐ পানি পান করাই। (২৫. আল ফুরকান : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) অবশ্যই আমি এই পানি তাদের মধ্যে বিভিন্ন ভাবে বিতরণ করি, যেনো তারা উপদেশ গ্রহণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক অকৃতজ্ঞতা ছাড়া অন্য কিছুতেই একমত হয় না। (২৫. আল ফুরকান : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি পাশাপাশি দুইটি সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন, এর একটি সুমিষ্ট যা তৃষ্ণা নিবারক আর এর একটি লোনা যা তিতা স্বাদবিশিষ্ট। তিনি উভয় সমুদ্রের মাঝখানে একটি অন্তরাল ও দুর্ভেদ্য পর্দা রেখেছেন। (২৫. আল ফুরকান : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) তিনিই আল্লাহ, যিনি পানি থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তাকে রক্তগত ও বৈবাহিক সম্পর্কশীল করেছেন। বস্তুত আপনার প্রভু আল্লাহ হচ্ছেন অত্যন্ত ক্ষমতাশালী। (২৫. আল ফুরকান : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৫) তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুর উপাসনা করে, যা তাদের উপকার করতে পারে না ও তাদের ক্ষতিও করতে পারে না। অবিশ্বাসীরা হচ্ছে নিজ প্রভু আল্লাহর ঘোর বিরোধি। (২৫. আল ফুরকান : ৫৫)
- ব্যাখ্যা