(৩৪) যাদেরকে তাদের মুখের উপরে ভর দেওয়া অবস্থায় দোযখের দিকে একত্রিত করা হবে, সুতরাং এদেরই স্থান হবে নিকৃষ্ট এবং এরাই হচ্ছে পথভ্রষ্ট। (২৫. আল ফুরকান : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৬) তারপর আমি বলেছিলাম, “তোমরা দুইজনে ঐ জাতির কাছে যাও, যারা আমার বাণী সমূহকে মিথ্যা বলছে।” তারপর আমি তাদেরকে সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। (২৫. আল ফুরকান : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) নূহের জাতি যখন রসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করলো, তখন আমি তাদেরকে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম আর তাদেরকে সকল মানুষের জন্যে এক নিদর্শন বানিয়েছি। বস্তুত অন্যায়কারীদের জন্যে আমি বেদনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। (২৫. আল ফুরকান : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) আমি তাদের প্রত্যেকের জন্যেই তাদের পূর্ববর্তী লোকদের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছিলাম ও আমি তাদের প্রত্যেককেই সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করেছি। (২৫. আল ফুরকান : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) অবশ্যই মক্কার এই অবিশ্বাসীগণ ঐ জনপদের উপরে দিয়েই যাতায়াত করে, যার উপরে পাথড়ের মন্দ বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছিলো। তবে কি তারা তা দেখে না? বরং তারা পুনরায় জীবিত হওয়ার আশঙ্কা করে না। (২৫. আল ফুরকান : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) তারা যখন আপনাকে দেখে, তখন তারা আপনাকে কেবল মাত্র বিদ্রুপের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করে। তারা বলে, “এই কি ঐ ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ রসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন? (২৫. আল ফুরকান : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) নিশ্চয় সে তো আমাদেরকে আমাদের উপাস্যদের কাছ থেকে প্রায় সরিয়েই নিয়েছিলো, যদি না আমরা তাদেরকে আঁকড়ে ধরে থাকতাম।” যখন তারা শাস্তি দেখতে পাবে, তখন শীঘ্রই তারা জানতে পারবে যে, কে অধিক পথভ্রষ্ট। (২৫. আল ফুরকান : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তিকে উপাস্য রূপে গ্রহণ করেছে? তবুও কি আপনি তার জন্যে অভিভাবক হবেন? (২৫. আল ফুরকান : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস