(২১) যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা করে না, তারা বলে, “কেনো আমাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতীর্ণ করা হলো না? অথবা কেনো আমরা আমাদের প্রভুকে দেখতে পাই না?” অবশ্যই তারা তাদের নিজেদের অন্তরের মধ্যে অহঙ্কার পোষণ করে ও তারা গুরুতর অবাধ্যতায় মেতে উঠেছে। (২৫. আল ফুরকান : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখবে, সেই দিন অপরাধীদের জন্যে কোনো সুসংবাদ থাকবে না। আর এই অপরাধীরা বলবে, “কোনো বাধা যদি এই শাস্তিকে আটকে রাখতো।” (২৫. আল ফুরকান : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) পরকালে আমি অপরাধীদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করবো, তারপর আমি সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণা বানিয়ে দিবো ফলে তা মূল্যহীন হয়ে যাবে। (২৫. আল ফুরকান : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৯) অবশ্যই আমার কাছে উপদেশ আসার পর, শয়তান আমাকে উপদেশ থেকে বিভ্রান্ত করেছিলো।” বস্তুত শয়তান মানুষকে বিপদের সময় ধোঁকা দিয়ে কেটে পড়ে। (২৫. আল ফুরকান : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩১) এভাবেই প্রত্যেক নবীর জন্যে আমি অপরাধীদের মধ্যে থেকে শত্রু বানিয়েছি। বস্তুত আপনার প্রভু আপনার জন্যে পথ প্রদর্শক ও সাহায্যকারী হিসেবে যথেষ্ট। (২৫. আল ফুরকান : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) অবিশ্বাসীরা বলে, “কেনো তাঁর প্রতি সমগ্র কুরআন একবারেই অবতীর্ণ হলো না?” এইভাবে আমি কুরআনকে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ করেছি, যেনো আমি এ কুরআনের দ্বারা আপনার হৃদয়কে মজবুত করতে পারি। আর আমি এ কুরআনকে পর্যায়ক্রমে আবৃত্তি করে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ করেছি। (২৫. আল ফুরকান : ৩২)
- ব্যাখ্যা