শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


۞وَقَالَ ٱلَّذِينَ لَا يَرۡجُونَ لِقَآءَنَا لَوۡلَآ أُنزِلَ عَلَيۡنَا ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ أَوۡ نَرَىٰ رَبَّنَاۗ لَقَدِ ٱسۡتَكۡبَرُواْ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ وَعَتَوۡ عُتُوّٗا كَبِيرٗا ٢١
(২১) যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা করে না, তারা বলে, “কেনো আমাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতীর্ণ করা হলো না? অথবা কেনো আমরা আমাদের প্রভুকে দেখতে পাই না?” অবশ্যই তারা তাদের নিজেদের অন্তরের মধ্যে অহঙ্কার পোষণ করে ও তারা গুরুতর অবাধ্যতায় মেতে উঠেছে। (২৫. আল ফুরকান : ২১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

يَوۡمَ يَرَوۡنَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةَ لَا بُشۡرَىٰ يَوۡمَئِذٖ لِّلۡمُجۡرِمِينَ وَيَقُولُونَ حِجۡرٗا مَّحۡجُورٗا ٢٢
(২২) যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখবে, সেই দিন অপরাধীদের জন্যে কোনো সুসংবাদ থাকবে না। আর এই অপরাধীরা বলবে, “কোনো বাধা যদি এই শাস্তিকে আটকে রাখতো।” (২৫. আল ফুরকান : ২২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَقَدِمۡنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُواْ مِنۡ عَمَلٖ فَجَعَلۡنَٰهُ هَبَآءٗ مَّنثُورًا ٢٣
(২৩) পরকালে আমি অপরাধীদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করবো, তারপর আমি সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণা বানিয়ে দিবো ফলে তা মূল্যহীন হয়ে যাবে। (২৫. আল ফুরকান : ২৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أَصۡحَٰبُ ٱلۡجَنَّةِ يَوۡمَئِذٍ خَيۡرٞ مُّسۡتَقَرّٗا وَأَحۡسَنُ مَقِيلٗا ٢٤
(২৪) সেই দিন বেহেশতের বাসিন্দারা উত্তম বাসস্থান ও সুন্দর বিশ্রামস্থল পাবে। (২৫. আল ফুরকান : ২৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَيَوۡمَ تَشَقَّقُ ٱلسَّمَآءُ بِٱلۡغَمَٰمِ وَنُزِّلَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ تَنزِيلًا ٢٥
(২৫) সেই দিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে ও ফেরেশতাদেরকে পর্যায়ক্রমে নামিয়ে দেওয়া হবে। (২৫. আল ফুরকান : ২৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱلۡمُلۡكُ يَوۡمَئِذٍ ٱلۡحَقُّ لِلرَّحۡمَٰنِۚ وَكَانَ يَوۡمًا عَلَى ٱلۡكَٰفِرِينَ عَسِيرٗا ٢٦
(২৬) সেই দিন সত্যিকার রাজত্ব হবে দয়াময় আল্লাহর আর অবিশ্বাসীদের উপরে সেই দিনটি বড় কঠিন হবে। (২৫. আল ফুরকান : ২৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَيَوۡمَ يَعَضُّ ٱلظَّالِمُ عَلَىٰ يَدَيۡهِ يَقُولُ يَٰلَيۡتَنِي ٱتَّخَذۡتُ مَعَ ٱلرَّسُولِ سَبِيلٗا ٢٧
(২৭) অন্যায়কারীরা সেই দিন তার নিজের দুই হাত কামড়াবে ও বলবে, “হায় আমার আফসোস! আমি যদি রসূলের সঙ্গে সত্য পথ ধরতাম। (২৫. আল ফুরকান : ২৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

يَٰوَيۡلَتَىٰ لَيۡتَنِي لَمۡ أَتَّخِذۡ فُلَانًا خَلِيلٗا ٢٨
(২৮) হায় আমার আফসোস! আমি যদি অমুক ব্যক্তিকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম। (২৫. আল ফুরকান : ২৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

لَّقَدۡ أَضَلَّنِي عَنِ ٱلذِّكۡرِ بَعۡدَ إِذۡ جَآءَنِيۗ وَكَانَ ٱلشَّيۡطَٰنُ لِلۡإِنسَٰنِ خَذُولٗا ٢٩
(২৯) অবশ্যই আমার কাছে উপদেশ আসার পর, শয়তান আমাকে উপদেশ থেকে বিভ্রান্ত করেছিলো।” বস্তুত শয়তান মানুষকে বিপদের সময় ধোঁকা দিয়ে কেটে পড়ে। (২৫. আল ফুরকান : ২৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَقَالَ ٱلرَّسُولُ يَٰرَبِّ إِنَّ قَوۡمِي ٱتَّخَذُواْ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانَ مَهۡجُورٗا ٣٠
(৩০) রসূল বললেন, “হে আমার প্রভু, নিশ্চয় আমার জাতি এই কুরআনকে প্রলাপ বাক্য হিসেবে গ্রহণ করেছে।” (২৫. আল ফুরকান : ৩০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَكَذَٰلِكَ جَعَلۡنَا لِكُلِّ نَبِيٍّ عَدُوّٗا مِّنَ ٱلۡمُجۡرِمِينَۗ وَكَفَىٰ بِرَبِّكَ هَادِيٗا وَنَصِيرٗا ٣١
(৩১) এভাবেই প্রত্যেক নবীর জন্যে আমি অপরাধীদের মধ্যে থেকে শত্রু বানিয়েছি। বস্তুত আপনার প্রভু আপনার জন্যে পথ প্রদর্শক ও সাহায্যকারী হিসেবে যথেষ্ট। (২৫. আল ফুরকান : ৩১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡلَا نُزِّلَ عَلَيۡهِ ٱلۡقُرۡءَانُ جُمۡلَةٗ وَٰحِدَةٗۚ كَذَٰلِكَ لِنُثَبِّتَ بِهِۦ فُؤَادَكَۖ وَرَتَّلۡنَٰهُ تَرۡتِيلٗا ٣٢
(৩২) অবিশ্বাসীরা বলে, “কেনো তাঁর প্রতি সমগ্র কুরআন একবারেই অবতীর্ণ হলো না?” এইভাবে আমি কুরআনকে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ করেছি, যেনো আমি এ কুরআনের দ্বারা আপনার হৃদয়কে মজবুত করতে পারি। আর আমি এ কুরআনকে পর্যায়ক্রমে আবৃত্তি করে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ করেছি। (২৫. আল ফুরকান : ৩২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা