(১৫) আপনি বলুন, “এই দোযখ কি উত্তম, না চিরকাল বসবাসের ঐ বেহেশত উত্তম, আল্লাহ ভীরুদেরকে যে বেহেশতের অঙ্গীকার দেওয়া হয়েছে? বেহেশত হচ্ছে আল্লাহ ভীরুদের জন্যে উত্তম প্রতিদান ও শেষ পরিণাম।” (২৫. আল ফুরকান : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) চিরকাল বসবাসরত অবস্থায় তাদের জন্যে ঐ বেহেশতের মধ্যে তাই রয়েছে, যা তারা চাইবে। এটা এমন এক দায়িত্বপূর্ণ অঙ্গীকার, যা পালন করা আপনার প্রভু নিজের প্রতি অবধারিত করেছেন। (২৫. আল ফুরকান : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) সেই দিন আল্লাহ তাদেরকে একত্রিত করবেন আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে উপাসনা করতো তাদেরকেও একত্রিত করবেন। তখন আল্লাহ উপাস্যদেরকে বলবেন, “তোমরা কি আমার এইসব বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করেছিলে, না কি তারা নিজেরাই সরল পথ থেকে বিভ্রান্ত হয়েছিলো?” (২৫. আল ফুরকান : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) ঐ উপাস্যরা বলবে, “আপনি পবিত্র, আমাদের কোনো সাধ্য ছিলো না যে, আমরা আপনাকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো অভিভাবক গ্রহণ করবো। কিন্তু আপনিই তো তাদেরকে ও তাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে ভোগ-সম্ভার দিয়েছিলেন, পরিণামে তারা আপনার উপদেশ ভুলে গিয়েছিলো। বস্তুত তারা একটি ধ্বংস প্রাপ্ত জাতি ছিলো।” (২৫. আল ফুরকান : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তারপর অংশীবাদীদেরকে বলা হবে, “অবশ্যই তোমাদেরকে এই উপাস্যরা ঐ সম্পর্কে মিথ্যাবাদী বলছে, যা তোমরা বলছো। সুতরাং এখন তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করতে পারবে না ও নিজেদেরকে সাহায্য করতেও পারবে না। আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অন্যায় করেছে, আমি তাকে বিরাট শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো।” (২৫. আল ফুরকান : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি নিশ্চয় তাঁরা সবাই খাবার খেয়েছেন ও বাজারের মধ্যে চলাফেরা করেছেন। আমি তোমাদের একজনকে অপর জনের জন্যে পরীক্ষা স্বরূপ করেছি, যেনো আমি দেখতে পারি যে, তোমরা ধৈর্য্যধারণ করো কি না? বস্তুত আপনার প্রভু আল্লাহ সব কিছুই দেখেন। (২৫. আল ফুরকান : ২০)
- ব্যাখ্যা