(৩) তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে অন্য উপাস্যদেরকে গ্রহণ করেছে, যারা কিছুই সৃষ্টি করেনি বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়েছে। ঐ উপাস্যরা তাদের নিজেদের মন্দ করতে পারে না ও ভালো করতেও পারে না। আর ঐ উপাস্যরা মৃত্যু ঘটাতে অথবা জীবন দিতে অথবা পুনরায় জীবিত করারও ক্ষমতা রাখে না। (২৫. আল ফুরকান : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তারা বলে, “কুরআন মিথ্যা ব্যতীত অন্য কিছুই নয়, যা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদ্ভাবন করেছেন এবং ইহুদীরা তাঁকে সাহায্য করেছে।” অবশ্যই তাদের এ কাথার কারণে তারা আল্লাহর বিধানের প্রতি অবিচার করেছে ও তারা মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে। (২৫. আল ফুরকান : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) তারা বলে, “কুরআন তো অতীত কালের রূপকথা, যা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লিখিয়ে নিয়েছে। তারপর কুরআন সকালে ও সন্ধ্যায় তাঁর কাছে পড়ে শুনানো হয়।” (২৫. আল ফুরকান : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৭) তারা বলে, “এ কেমন রসূল, যে খাবার খায় ও বাজারে চলাফেরা করে? তাঁর কাছে কেনো ফেরেশতা অবতীর্ণ হলো না, যেনো ফেরেশতা সর্বদাই তাঁর সঙ্গে সতর্ককারী হয়ে থাকতো? (২৫. আল ফুরকান : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) অথবা তাঁর কাছে ধনভান্ডার পাঠিয়ে দেওয়া হলো না কেনো, অথবা তাঁর একটি বাগান হলো না কেনো, যা থেকে তিনি খেতেন?” আর অন্যায়কারীরা বলে, “তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির অনুসরণ করছো।” (২৫. আল ফুরকান : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) আপনি দেখুন, তারা আপনার জন্যে কেমন দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছে! বস্তুত তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে, কাজেই তারা পথের দিশা পাচ্ছে না। (২৫. আল ফুরকান : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) আল্লাহ কল্যাণময়, যিনি ইচ্ছা করলে আপনাকে এর চাইতে উত্তম এমন বাগান দিতে পারেন, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হবে আর আপনাকে প্রাসাদ দিতে পারেন। (২৫. আল ফুরকান : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) বরং তারা কিয়ামতকে অস্বীকার করে। বস্তুত যে ব্যক্তি কিয়ামতকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্যে জ্বলন্ত আগুন তৈরী করে রেখেছি। (২৫. আল ফুরকান : ১১)
- ব্যাখ্যা