(৬২) কেবল মাত্র আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস করে। আর যখন তারা রসূলের সাথে কোনো সমষ্টিগত কাজের উপর থাকে, তখন তারা চলে যায় না, যে পর্যন্ত না, তারা রসূলের কাছ থেকে অনুমতি নেয়। নিশ্চয় যারা আপনার কাছে অনুমতি চায়, তারাই আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস করে। সুতরাং যখন তারা আপনার কাছে তাদের কোনো কাজের জন্যে অনুমতি চায়, তখন আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিন। আর আপনি তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২৪. আন নূর : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) তোমরা রসূলের আহবানকে তোমাদের মধ্যে একে অপরের আহবানের মতো গণ্য করো না। অবশ্যই আল্লাহ তাদেরকে জানেন, যারা তোমাদের মধ্যে রসূলের কাছ থেকে চুপিসারে সরে পড়ে। অতএব যারা আল্লাহর আদেশ সম্পর্কে বিরোধীতা করে, তবে তারা এ বিষয়ে সাবধান হোক যে, তাদের উপরে বিপর্যয় অথবা বেদনাদায়ক শাস্তি পতিত হবে। (২৪. আন নূর : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) তোমরা মনে রেখো যে, নিশ্চয় নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তা আল্লাহর জন্যেই। অবশ্যই তোমরা যে অবস্থার উপরে আছো, তা তিনি জানেন। আর সেই দিন তারা তাঁর কাছে ফিরে আসবে, তখন তিনি তাদেরকে ঐ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যা তারা করতো। বস্তুত আল্লাহ সব কিছু সম্পর্কে জানেন। (২৪. আন নূর : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(১) আল্লাহ কল্যাণময়, যিনি তাঁর বান্দার প্রতি সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রন্থ কুরআনকে অবর্তীণ করেছেন, যেনো রসূল বিশ্বজগতের জন্যে সতর্ককারী হতে পারেন। (২৫. আল ফুরকান : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) আল্লাহ হচ্ছেন এমন যে, তাঁর জন্যে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব। তিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি। রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই। তিনি সব কিছু সৃষ্টি করেছেন, তারপর তাকে পরিমিত রূপ দিয়েছেন। (২৫. আল ফুরকান : ২)
- ব্যাখ্যা