(৫৪) আপনি বলুন, “তোমরা আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য করো।” তারপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে নিশ্চয় রসূলের উপরে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই জন্যে সে দায়ী। আর তোমাদের উপরে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই জন্যে তোমরাই দায়ী। তোমরা যদি রসূলের আনুগত্য করো, তবে তোমরা সৎপথ পাবে। বস্তুত রসূলের উপরে কুরআনকে সুস্পষ্ট ভাবে পৌঁছানো ছাড়া অন্য কোনো দায়িত্ব দেওয়া নেই। (২৪. আন নূর : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) যারা তোমাদের মধ্যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে অঙ্গীকার দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীর মধ্যে শাসন কর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি ওদেরকে শাসন কর্তৃত্ব দান করেছিলেন, যারা এদের পূর্ববতী ছিলো। আর অবশ্যই তিনি তাদের জন্যে তাদের ধর্মকে সুদৃঢ় করবেন, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন। তাদের ভয়ের পরে, অবশ্যই তাদের জন্যে ভয়কে পরিবর্তন করে দিয়ে নিরাপত্তা দান করবেন। তারা আমার উপাসনা করবে আর তারা আমার সাথে কোনো কিছুকে অংশীদার করবে না। যারা এরপরেও অকৃতজ্ঞ হবে, তাহলে তারাই অবাধ্য। (২৪. আন নূর : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, আপনি তাদেরকে মনে করবেন না যে, তারা পৃথিবীর মধ্যে আল্লাহর শাস্তি থেকে পলাতে পারবে। বরং তাদের ঠিকানা হচ্ছে আগুন। বস্তুত আগুন হচ্ছে অতি মন্দ ঠিকানা। (২৪. আন নূর : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! যারা তোমাদের দাস-দাসী এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়সে পৌঁছায়নি, তারা যেনো তোমাদের কাছে তিন সময়ে অনুমতি গ্রহণ করে। সময়গুলো হচ্ছে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরের গরমে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখো ও এশার নামাযের পরে। এই তিন সময় হচ্ছে তোমাদের জন্যে গোপনীয়তা গ্রহণের সময়। এই তিন সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোনো দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়। এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্যে বাণী সমূহ সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (২৪. আন নূর : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস