(৩৭) সৎপথ প্রাপ্তরা এমন লোক, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত রাখে না। তারা নামায প্রতিষ্ঠিত করে ও যাকাত আদায় করে। তারা ঐ দিনকে ভয় করে, যে দিন অন্তর সমূহ ও চোখ সমূহ আল্লাহর ভয়ে উল্টে যাবে। (২৪. আন নূর : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৮) যেনো আল্লাহ এই সৎপথ প্রাপ্তদেরকে সেইজন্যে উৎকৃষ্টতর প্রতিদান দিতে পারেন, যা তারা করেছে এবং তাঁর নিজ অনুগ্রহ থেকে তাদেরকে আরো অধিক বাড়িয়ে দিতে পারেন। বস্তুত আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহিসাব জীবিকা দিয়ে থাকেন। (২৪. আন নূর : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) আর যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদের কর্ম মরুভূমির মরীচিকার ন্যায়, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে। এমনকি, সে যখন এই মরীচিকার কাছে আসে, তখন সে এই মরীচিকাকে কিছুই পায় না ও তার সামনে সে কেবল মাত্র আল্লাহকে পায়। তারপর আল্লাহ তার হিসাব মিটিয়ে দেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন হিসাব গ্রহণে দ্রুত। (২৪. আন নূর : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) অথবা তাদের কর্ম গভীর সমুদ্রের তলার মধ্যে অন্ধকারের ন্যায়। যে অন্ধকারকে এক ঢেউয়ের উপরে আরেক ঢেউ ঢেকে রাখে, যে ঢেউয়ের উপরে ঘন কালো মেঘমালা আছে। একের উপর এক অন্ধকার। যখন সে তার হাত বের করে, তখন সে তার হাতকে একেবারেই দেখতে পায় না। বস্তুত আল্লাহ যাকে জ্যোতি দেন না, তবে তার জন্যে কোনো জ্যোতিই নেই। (২৪. আন নূর : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) আপনি কি দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে যারা আছে, তারা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে আর পাখা বিস্তারকারী উড়ন্ত পাখীরাও আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে? অবশ্যই প্রত্যেকেই তার যোগ্য উপাসনা ও পবিত্রতা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। বস্তুত তারা যা করে, আল্লাহ ঐ বিষয়ে অবগত আছেন। (২৪. আন নূর : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন, তারপর তাদের পরস্পরের মধ্যে সংযুক্ত করেন, তারপর তাকে ঘনীভূত করেন। তখন আপনি দেখতে পান যে, ঐ মেঘমালার ভিতর থেকে বৃষ্টি বের হয়। তিনি আকাশ থেকে ঐ মেঘমালার মধ্যে থাকা শিলাস্তুপ থেকে শিলা বর্ষণ করেন। সুতরাং তিনি এই শিলা দিয়ে যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন ও যার কাছ থেকে ইচ্ছা, এই শিলাকে অন্যদিকে ফিরিয়ে রাখেন। মেঘমালার বিদ্যুৎ ঝলক দৃষ্টিশক্তিকে যেনো প্রায় বিলীন করে দিতে চায়। (২৪. আন নূর : ৪৩)
- ব্যাখ্যা