(২১) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে ব্যক্তি শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, তবে শয়তান তাকে অশ্লীলতা ও মন্দ কাজের প্রতি নির্দেশ দেয়। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া তোমাদের উপরে না থাকতো, তবে তোমাদের মধ্যে কেউ কখনোই পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। বস্তুত আল্লাহ সব কিছু শুনেন ও জানেন। (২৪. আন নূর : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী, তারা যেনো শপথ না করে যে, তারা নিকট-আত্মীয়দেরকে, অভাব গ্রস্তদেরকে আর আল্লাহর পথে দেশ ত্যাগীদেরকে কিছুই দিবে না। তাদের ক্ষমা করা উচিত ও দোষক্রটি উপেক্ষা করা উচিত। তোমরা কি পছন্দ করো না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন? বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২৪. আন নূর : ২২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৩) নিশ্চয় যারা নিরীহ সতী বিশ্বাসিনী নারীদেরকে অপবাদ দেয়, তাদেরকে ইহকাল ও পরকালে অভিশাপ দেওয়া হবে এবং তাদের জন্যে গুরুতর শাস্তি রয়েছে। (২৪. আন নূর : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৫) সেই দিন আল্লাহ তাদেরকে তাদের উপযুক্ত শাস্তি পুরোপুরি দিবেন। আর তারা জানতে পারবে যে, অল্লাহই হচ্ছেন প্রকাশ্য সত্য প্রভু। (২৪. আন নূর : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) দুশ্চরিত্রা নারীগণ দুশ্চরিত্র পুরুষগণের জন্যে। আর দুশ্চরিত্র পুরুষগণ দুশ্চরিত্রা নারীগণের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীগণ সচ্চরিত্র পুরুষগণের জন্যে। আর সচ্চরিত্র পুরুষগণ সচ্চরিত্রা নারীগণের জন্যে। সচ্চরিত্র নারী ও পুরুষ তা থেকে সম্পর্কহীন, যা মন্দ লোকেরা বলে। সচ্চরিত্র নারী ও পুরুষগণের জন্যে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা রয়েছে। (২৪. আন নূর : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা নিজেদের ঘর ব্যতীত অন্যের ঘরে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত না, তোমরা অনুমতি নিয়েছো ও ঐ ঘরের বাসিন্দাদের প্রতি সালাম দিয়েছো। এ পদ্ধতি তোমাদের জন্যে উত্তম, যেনো তোমরা আল্লাহর উপদেশকে স্মরণ রাখো। (২৪. আন নূর : ২৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস