(১১) নিশ্চয় যারা মিথ্যা অপবাদ রচনা করে নিয়ে এসেছে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত একটি দল। তোমরা একে তোমাদের জন্যে অমঙ্গল মনে করো না, বরং এটা তোমাদের জন্যে মঙ্গলজনক। তাদের মধ্যে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যে ততটুকু শাস্তি রয়েছে, পাপের যতটুকু সে অর্জন করেছে। আর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলো, তার জন্যে বিরাট শাস্তি রয়েছে। (২৪. আন নূর : ১১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২) তোমরা যখন তা শুনলে, তখন বিশ্বাসী পুরুষ ও বিশ্বাসী নারী কেনো নিজেদের লোক সম্পর্কে উত্তম ধারণা করোনি। আর কেনো তোমরা একথা বলোনি যে, “এটা তো স্পষ্ট অপবাদ?” (২৪. আন নূর : ১২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩) তারা কেনো এ ব্যাপারে চার জন সাক্ষী উপস্থিত করেনি। সুতরাং যখন তারা সাক্ষী আনতে পারেনি, তাহলে তারাই আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী। (২৪. আন নূর : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৪) যদি ইহকাল ও পরকালে তোমাদের উপরে আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকতো, তবে তোমরা যার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছিলে, সেজন্যে অবশ্যই তোমাদেরকে গুরুতর শাস্তি স্পর্শ করতো। (২৪. আন নূর : ১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৫) যখন তোমরা একে তোমাদের জিহবা দিয়ে ছড়াচ্ছিলে ও মুখ দিয়ে এমন বিষয় বলছিলে, যে বিষয়ের কোনো জ্ঞান তোমাদের ছিলো না। আর তোমরা একে তুচ্ছ বিষয় মনে করছিলে, অথচ এটা আল্লাহর কাছে গুরুতর বিষয় ছিলো। (২৪. আন নূর : ১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) যখন তোমরা একথা শুনেছিলে তখনই কেনো বলে দিলে না যে, “এ বিষয়ে আলোচনা করার কোনো অধিকার আমাদের নেই। হে আল্লাহ, আপনি পবিত্র। এটা তো মারাত্মক অপবাদ!” (২৪. আন নূর : ১৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭) আল্লাহ তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন যে, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হও, তবে তোমরা কখনো এ ধরনের আচরণ পুনরাবৃত্তি করো না। (২৪. আন নূর : ১৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯) নিশ্চয় যারা ভালোবাসে যে, বিশ্বাসীদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, সুতরাং তাদের জন্যে ইহকাল ও পরকালে বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। বস্তুত আল্লাহ জানেন, কিন্তু তোমরা জানো না। (২৪. আন নূর : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) যদি তোমাদের উপরে আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া না থাকতো আর আল্লাহ অতি স্নেহময় ও অতি দয়ালু না হতেন, তবে কত কিছুই যে হয়ে যেতো। (২৪. আন নূর : ২০)
- ব্যাখ্যা