(১) এটা একটা সূরা, যা আমি অবতীর্ণ করেছি এবং এর বিধানকে ফরজ করেছি। এই সূরার মধ্যে আমি সুস্পষ্ট বাণী সমূহ অবতীর্ণ করেছি, যেনো তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো। (২৪. আন নূর : ১)
- ব্যাখ্যা
(২) ব্যভিচারিণী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ, সুতরাং তোমরা তাদের দুইজনের প্রত্যেককে একশ করে বেত্রাঘাত করো। যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে থাকো, তবে আল্লাহর বিধান পালনের সময় তাদের প্রতি দয়া যেনো তোমাদেরকে প্রভাবিত না করে। আর বিশ্বাসীদের মধ্যে একটি দল যেনো তাদের উভয়ের শাস্তির সময় সাক্ষী থাকে। (২৪. আন নূর : ২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩) ব্যভিচারী পুরুষ ব্যভিচারিণী নারীকে অথবা অংশীবাদীণী নারীকে ব্যতীত অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারবে না। আর ব্যভিচারিণী নারীকে ব্যভিচারী পুরুষ অথবা অংশীবাদী পুরুষ ব্যতীত অন্য কেউ বিয়ে করতে পারবে না। এদেরকে বিয়ে করা বিশ্বাসীদের জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। (২৪. আন নূর : ৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪) যারা সতী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারপর চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তবে তোমরা তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে ও কখনো তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না। বস্তুত এরাই হচ্ছে প্রকৃত অশান্তিকামী। (২৪. আন নূর : ৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫) তবে তাদের ক্ষেত্রে ব্যতীত, যারা এরপরে ক্ষমা প্রার্থনা করে ও সংশোধিত হয়। সুতরাং নিশ্চয় আল্লাহ তাদের ক্ষেত্রে ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২৪. আন নূর : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের জন্যে অন্য কোনো সাক্ষী পায় না, তাহলে ঐ ব্যক্তি আল্লাহর নামে চার বার এভাবে সাক্ষ্য দিবে যে, অবশ্যই সে সত্যবাদী। (২৪. আন নূর : ৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮) আর ঐ নারী থেকে শাস্তি রহিত হয়ে যাবে, যদি ঐ নারী আল্লাহর নামে চার বার সাক্ষ্য দেয় যে, অবশ্যই তার স্বামী মিথ্যাবাদী। (২৪. আন নূর : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০) যদি তোমাদের উপরে আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া না থাকতো আর আল্লাহ ক্ষমাশীল ও প্রজ্ঞাময় না হতেন, তাহলে কত কিছুই যে হয়ে যেতো। (২৪. আন নূর : ১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস