(১০৫) সেই দিন দোযখ বাসীদেরকে আল্লাহ বলবেন, “তোমাদের সামনে কি আমার বাণী সমূহ পাঠ করা হতো না? অথচ তোমরা তো সেগুলোকে মিথ্যা বলতে।” (২৩. আল মুমিনূন : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
(১০৬) তারা বলবে, “হে আমাদের প্রভু, আমাদের উপরে আমাদের দূর্ভাগ্য ছেয়ে গিয়েছিলো। আর আমরা পথভ্রষ্ট জাতি ছিলাম। (২৩. আল মুমিনূন : ১০৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৭) হে আমাদের প্রভু! এ দোযখ থেকে আমাদেরকে বের করে দিন। আমরা যদি পুনরায় তা করি, তখন নিশ্চয় আমরা অন্যায়কারী হবো।” (২৩. আল মুমিনূন : ১০৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৮) আল্লাহ বলবেন, “তোমরা শাস্তি প্রাপ্ত অবস্থায় এ দোযখের মধ্যে পড়ে থাকো এবং তোমরা আমার সাথে কোনো কথা বলো না। (২৩. আল মুমিনূন : ১০৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৯) নিশ্চয় আমার বান্দাদের মধ্যে এক দল ছিলো, যারা বলতো, ‘হে আমাদের প্রভু! আমরা বিশ্বাস করেছি। অতএব তুমি আমাদেরকে ক্ষমা করো ও আমাদের প্রতি দয়া করো। আর তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।’ (২৩. আল মুমিনূন : ১০৯)
- ব্যাখ্যা
(১১০) তারপর তোমরা তাদেরকে ঠাট্টার পাত্ররূপে গ্রহণ করতে। এমনকি, তা তোমাদেরকে আমার স্মরণ ভুলিয়ে দিয়েছিলো আর তোমরা তাদেরকে নিয়ে পরিহাস করতে। (২৩. আল মুমিনূন : ১১০)
- ব্যাখ্যা
(১১৬) অতএব সুউচ্চ মহিমাময় আল্লাহই তোমাদের প্রকৃত মালিক। তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি সম্মানিত সিংহাসনের মালিক। (২৩. আল মুমিনূন : ১১৬)
- ব্যাখ্যা
(১১৭) যে কেউ আল্লাহর সঙ্গে অন্য উপাস্যকে ডাকে, যে বিষয়ে তার কাছে কোনো সনদ নেই, তবে তার হিসাব কেবল মাত্র তার প্রভু আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয় অবিশ্বাসীরা সাফল্য প্রাপ্ত হবে না। (২৩. আল মুমিনূন : ১১৭)
- ব্যাখ্যা
(১১৮) আপনি বলুন, “হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার প্রতি দয়া করুন। কেননা আপনিই দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ট দয়ালু।” (২৩. আল মুমিনূন : ১১৮)
- ব্যাখ্যা