(২৮) তারপর যখন তুমি ও তোমার সঙ্গীগণ জাহাজে আরোহণ করবে, তখন বলবে, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি আমাদেরকে অন্যায়কারী জাতি থেকে উদ্ধার করেছেন।” (২৩. আল মুমিনূন : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩২) তখন আমি তাদেরই মধ্যে থেকে একজন রসূল তাদের কাছে পাঠালাম, এই বলে যে, “তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো। তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্যে অন্য কোনো উপাস্য নেই। তবুও কি তোমরা আল্লাহকে ভয় করবে না?” (২৩. আল মুমিনূন : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) সালেহের জাতির মধ্যে যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছিলো ও পরকালের সাক্ষাৎকে অস্বীকার করেছিলো ও পার্থিব জীবনে আমি যাদেরকে স্বাচ্ছন্দ্য দিয়েছিলাম, তাদের মধ্যে প্রধানরা বললো, “সে তো আমাদের মতোই একজন মানুষ ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। তোমরা যা খাও, সেও তাই খায়। আর তোমরা যা পান করো, সেও তাই পান করে। (২৩. আল মুমিনূন : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) সালেহ কি তোমাদেরকে এই অঙ্গীকার দেয় যে, যখন তোমরা মারা যাবে এবং তোমরা মাটি ও অস্থিতে পরিণত হবে, তখনো তোমাদেরকে পুনরায় জীবিত রূপে কবর থেকে বের করা হবে? (২৩. আল মুমিনূন : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) সালেহ তো এমন ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কিছুই নয়, যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে এবং আমরা তাঁর প্রতি বিশ্বাসী নই।” (২৩. আল মুমিনূন : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৪১) তারপর ন্যায় সঙ্গত কারণেই তাদেরকে এক ভয়ঙ্কর শব্দ পাকড়াও করলো। তারপর আমি তাদেরকে আবর্জনা সদৃশ বানিয়ে দিলাম। সুতরাং অত্যাচারী জাতি ধ্বংস হোক। (২৩. আল মুমিনূন : ৪১)
- ব্যাখ্যা