(১৮) আমি আকাশ থেকে পরিমাণ মতো পানি বর্ষণ করি। তারপর আমি ভূমির মধ্যে এই পানি সংরক্ষণ করি। নিশ্চয় আমি এই পানিকে সরিয়ে নিতেও সক্ষম। (২৩. আল মুমিনূন : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) তারপর আমি এই পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করি। তোমাদের জন্যে এ বাগানের মধ্যে প্রচুর ফল আছে। আর তোমরা তা থেকে খেয়ে থাকো। (২৩. আল মুমিনূন : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) আমি জলপাই গাছকে সৃষ্টি করেছি, যা সিনাই পাহাড়ে জন্মায়। জলপাই গাছ আহারকারীদের জন্যে তেল ও ব্যঞ্জন বিশেষ সুগন্ধ যুক্ত মসলা উৎপন্ন করে। (২৩. আল মুমিনূন : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) নিশ্চয় তোমাদের জন্যে চতুষ্পদ জন্তুদের মধ্যে শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। তাদের পেটের মধ্যে যে দুধ আছে, তা থেকে আমি তোমাদেরকে পান করাই। আর তোমাদের জন্যে ঐ দুধের মধ্যে প্রচুর উপকারিতা আছে, যা তোমরা খেয়ে থাকো। (২৩. আল মুমিনূন : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২৩) অবশ্যই আমি নূহকে তার জাতির কাছে প্রেরণ করেছিলাম। তখন নূহ বলেছিলো, “হে আমার জাতি, তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো। তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্যে অন্য কোনো উপাস্য নেই। তবুও কি তোমরা আল্লাহকে ভয় করবে না?” (২৩. আল মুমিনূন : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) তখন তাঁর জাতির অবিশ্বাসী প্রধানরা বললো, “নূহ তো তোমাদের মতো একজন মানুষ ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। সে চাইছে যে, তোমাদের উপরে প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করতে। আর আল্লাহ যদি চাইতেন, তবে তিনি ফেরেশতাদেরকে পাঠাতেন। আমরা তো আমাদের পূর্ব-পুরুষদের মধ্যে এমনটা শুনিনি। (২৩. আল মুমিনূন : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তারপর আমি নূহের কাছে ওহী প্রেরণ করলাম যে, তুমি আমার চোখের সামনে এবং আমার ওহী অনুযায়ী জাহাজ তৈরী করো। তারপর যখন আমার আদেশ আসবে ও চুলা প্লাবিত হবে, তখন তুমি জাহাজের মধ্যে প্রত্যেক জীব থেকে এক জোড়া ও তোমার পরিবারকে তুলে নাও, তবে তাদের মধ্যে যাদের বিপক্ষে পূর্বেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাদেরকে ছাড়া। আর যারা অন্যায় করে, তুমি তাদের সম্পর্কে আমাকে কিছু বলবে না। নিশ্চয় তারা নিমজ্জিত হবে। (২৩. আল মুমিনূন : ২৭)
- ব্যাখ্যা