(৭৩) ওহে মানব জাতি! তোমাদের জন্যে একটি উপমা বর্ণনা করা হলো, অতএব তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শুনো। তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে যাদেরকে ডাকো, তারা কখনো একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারে না, যদিও সেই জন্যে তারা সবাই একত্রিত হয়। আর একটি মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোনো কিছু ছিনিয়ে নেয়, তবে এই উপাস্যরা ঐ মাছির কাছ থেকে তা উদ্ধার করতেও পারে না। প্রার্থনাকারী অবিশ্বাসীরা ও যে মূর্তিগুলোর কাছে প্রার্থনা করা হয় উভয়েই শক্তিহীন। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭৩)
- ব্যাখ্যা
(৭৫) আল্লাহ ফেরেশতা ও মানুষের মধ্যে থেকে যাকে ইচ্ছা বাণীবাহক হিসেবে মনোনীত করেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭৫)
- ব্যাখ্যা
(৭৭) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা রুকু করো, সেজদা করো, তোমাদের প্রভুর উপাসনা করো ও সৎকাজ করো, যেনো তোমরা সাফল্য প্রাপ্ত হতে পারো। (সেজদা-৭) (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭৭)
- ব্যাখ্যা
(৭৮) আর তোমরা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করো, যেভাবে তাঁর পথে সংগ্রাম করা উচিত। আল্লাহ তোমাদেরকে মনোনীত করেছেন ও ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের উপরে কোনো সংকীর্ণতা আরোপ করেননি। তোমরা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের ধর্মের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকো। ইব্রাহীম ইতিপূর্বে তোমাদের নাম মুসলমান রেখেছেন ও এ কুরআনের মধ্যেও আল্লাহ তোমাদের নাম মুসলমান রেখেছেন। যেনো রসূল তোমাদের উপরে সাক্ষী হতে পারেন ও তোমরা মানুষের উপরে সাক্ষী হতে পারো। সুতরাং তোমরা নামায প্রতিষ্ঠিত করো ও যাকাত আদায় করো। আর তোমরা আল্লাহকে শক্তভাবে ধারণ করো। আল্লাহ তোমাদের প্রকৃত মালিক। সুতরাং আল্লাহ কত উত্তম মালিক আর কত উত্তম সাহায্যকারী। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭৮)
- ব্যাখ্যা