(৬৫) আপনি কি দেখেন না যে, পৃথিবীর মধ্যে যা কিছু আছে আর সমুদ্রের মধ্যে চলমান জাহাজ গুলোকে আল্লাহ তাঁর স্বীয় আদেশে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন? তিনি আকাশকে স্থির রাখেন, যেনো আকাশ তাঁর অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপরে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি পরম স্নেহময়, অতি দয়াময়। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন, তারপর তিনিই তোমাদেরকে মৃত্যুদান করবেন, তারপর পুনরায় তিনি তোমাদেরকে জীবিত করবেন। নিশ্চয় মানুষ আল্লাহর প্রতি বড়ই অকৃতজ্ঞ। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) আমি প্রত্যেক জাতির জন্যে উপাসনার নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছি, যা তারা পালন করে। অতএব তারা যেনো এ কুরআনের ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্ক না করে। আর আপনি তাদেরকে আপনার প্রভুর দিকে আহবান করুন। নিশ্চয় আপনি সরল পথ-নির্দেশের উপরেই আছেন। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
(৭০) আপনি কি জানেন না যে, আল্লাহ জানেন যা কিছু আছে নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে? নিশ্চয় এসব কিছুই গ্রন্থের মধ্যে লিখিত আছে। নিশ্চয় এসব আল্লাহর কাছে সহজ ব্যাপার। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭০)
- ব্যাখ্যা
(৭১) তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে এমন কিছুর উপাসনা করে, যার জন্যে কোনো দলিল আল্লাহ অবতীর্ণ করেননি। সেই সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। বস্তুত অন্যায়কারীদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭১)
- ব্যাখ্যা
(৭২) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট বাণী সমূহ পাঠ করা হয়, তখন আপনি তাদের চেহারা গুলোর মধ্যে ঘৃণাভাব দেখতে পাবেন। এই অবিশ্বাসীরা চায় ওদের উপরে লাফিয়ে পড়তে, যারা তাদের কাছে আমার বাণী সমূহ পড়ে শুনায়। আপনি বলুন, “তবে কি আমি তোমাদেরকে এসবের চেয়েও মন্দ কিছুর সংবাদ দিবো? তা হচ্ছে আগুন, আল্লাহ অবিশ্বাসীদের জন্যে এ আগুনের অঙ্গীকার দিয়েছেন। এ আগুন কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা।” (২২. আল হাজ্জ্ব : ৭২)
- ব্যাখ্যা