(৪৭) তারা আপনাকে শাস্তি দ্রুত করতে বলে। অথচ আল্লাহ তাঁর স্বীয় অঙ্গীকার কখনো ভঙ্গ করেন না। নিশ্চয় আপনার প্রভুর কাছে একদিন, তোমাদের গণনার এক হাজার বছরের সমান। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আমি কত যে জনপদকে অবকাশ দিয়েছি, যদিও ঐ জনপদ অত্যাচারী ছিলো। তারপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি। আমার কাছেই তোমাদের সকলকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৫২) আমি আপনার পূর্বে যখনই কোনো রসূল অথবা নবী প্রেরণ করেছি ও তারা কিছু কল্পনা করেছে, তখনই শয়তান তাদের কল্পনার মধ্যে কিছু মিথ্যা ঢেলে দিয়েছে। তারপর আল্লাহ তা দূর করে দেন, শয়তান যা কল্পনার মধ্যে ঢেলে দেয়। তারপর আল্লাহ তাঁর বাণী সমূহকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৫২)
- ব্যাখ্যা
(৫৩) যেনো শয়তান যা ঢেলে দেয়, আল্লাহ তা তাদের জন্যে পরীক্ষা স্বরূপ করেদেন, যাদের অন্তরের মধ্যে রোগ আছে ও যাদের অন্তর কঠিন। নিশ্চয় অত্যাচারীরা দূরবর্তী বিরোধিতার মধ্যে লিপ্ত রয়েছে। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) আর যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, তারা যেনো জানে যে, কুরআন আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে সত্য। তারপর তারা যেনো কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করে আর তাদের হৃদয় যেনো কুরআনের প্রতি বিনয়ী হয়। নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসীদেরকে সরল পথের দিকে পরিচালিত করে থাকেন। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা কুরআন সম্পর্কে সন্দেহ করা থেকে কখনোই বিরত হবে না, যে পর্যন্ত না, তাদের কাছে হঠাৎ করে কিয়ামত এসে পড়বে অথবা তাদের কাছে এক ধ্বংসাত্মক দিনের শাস্তি এসে পড়বে। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৫৫)
- ব্যাখ্যা