(৩৯) বিশ্বাসীদের জন্যে যুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হলো, যাদের বিরুদ্ধে অবিশ্বাসীরা যুদ্ধ করে। কেননা বিশ্বাসীরা অত্যাচারিত হয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ এমন বিশ্বাসীদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম, (২২. আল হাজ্জ্ব : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪০) যাদেরকে তাদের ঘর থেকে কোনো ন্যায় সঙ্গত কারণ ছাড়াই বের করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অপরাধ এ ব্যতীত অন্য কিছু ছিলো না যে, তারা বলে, “আল্লাহ আমাদের প্রভু।” আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দলকে অপর দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে সংসার বিরাগীদের উপাসনালয়, খ্রীষ্টানদের গির্জাগুলো, ইহুদীদের উপাসনালয় ও মুসলমানদের মসজিদ সমূহ ধ্বংস হয়ে যেতো, যেগুলাতে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়। আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন, যে ব্যক্তি আল্লাহকে সাহায্য করে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন মহা শক্তিশালী, পরাক্রমশালী। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪১) বিশ্বাসীরা এমন লোক যাদেরকে আমি যদি পৃথিবীর মধ্যে ক্ষমতা দেই, তাহলে তারা নামায প্রতিষ্ঠিত করবে, ও যাকাত আদায় করবে ও সৎকাজের নির্দেশ দিবে ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে। বস্তুত আল্লাহর কাছেই সব কাজের পরিণাম রয়েছে। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে অবশ্যই তাদের পূর্বেও ঐ সকল জাতিরাও নবীগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে, যারা অন্তর্ভুক্ত ছিলো নূহের জাতি, আদের জাতি, ছামূদের জাতি, (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) আর মাদইয়ানের অধিবাসীরা আর মূসাকেও মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিলো। তথাপি আমি অবিশ্বাসীদেরকে অবকাশ দিয়েছিলাম, তারপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম। সুতরাং কেমন হয়েছিলো আমাকে অস্বীকৃতির পরিণাম! (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) তারপর আমি কত যে জনপদকে ধ্বংস করেছি, যেহেতু তারা অত্যাচারী ছিলো, ফলে তা তার ছাদের উপরে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছে। আর কত যে কূয়া পরিত্যক্ত হয়েছে ও কত যে সুদৃঢ় প্রাসাদ আমি ধ্বংস করেছি। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) তবে কি তারা পৃথিবীর মধ্যে ভ্রমণ করেনি, যার ফলে তাদের হৃদয় এমন হতে পারে যে, যা দিয়ে তারা সত্য ও মিথ্যাকে বুঝতে পারে অথবা তাদের কান এমন হতে পারে যে, যা দিয়ে তারা সত্যকে শুনতে পারে? বস্তুত চোখ তো অন্ধ নয়, কিন্তু বুকের ভিতরে যে হৃদয় রয়েছে, ঐ হৃদয়ের চোখই অন্ধ হয়ে থাকে। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৪৬)
- ব্যাখ্যা