(২৪) আর যেহেতু বিশ্বাসীরা আল্লাহর পবিত্র বাক্যের দিকে পথ প্রদর্শিত হয়েছিলো। বস্তুত তারা প্রশংসিত আল্লাহর পথের দিকে পথ প্রদর্শিত হয়েছিলো। (২২. আল হাজ্জ্ব : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) নিশ্চয় যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দেয় ও পবিত্র মসজিদ যেতে বাধা দেয়, যে মসজিদকে আমি সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে বানিয়েছি। আর যে কেউ ঐ মসজিদে অন্যায় ভাবে কোনো ধর্মদ্রোহী কাজ করতে চায়, তাহলে আমি তাকে যন্ত্রানাদায়ক শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো। (২২. আল হাজ্জ্ব : ২৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬) যখন আমি ইব্রাহীমকে কাবা ঘরের স্থান স্থির করে দিয়েছিলাম ও বলেছিলাম যে, “তুমি আমার সাথে কোনো কিছুকে অংশীদার করো না। আর তুমি আমার ঘরকে তাওয়াফকারীদের জন্যে, নামাযে দন্ডায়মানদের জন্যে, রুকুকারীদের জন্যে ও সেজদাকারীদের জন্যে পবিত্র রাখো। (২২. আল হাজ্জ্ব : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তুমি মানুষের মধ্যে হজ্বের ব্যাপারে ঘোষণা করে দাও। তারা তোমার কাছে পায়ে হেঁটে আসবে। আর তারা প্রত্যেক দূর-দূরান্ত দেশ থেকে এমন উটের পিঠের উপরে যাত্রা করে আসবে, যে উট সমূহ দীর্ঘ যাত্রার কারণে রোগা হয়ে গেছে। (২২. আল হাজ্জ্ব : ২৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৮) যেনো তারা তাদের জন্যে কল্যাণ সমূহ প্রত্যক্ষ করে। আর যেনো তারা হজ্বের জন্যে নির্ধারিত দিনগুলোর মধ্যে যবেহ করার সময় ঐসব জন্তুর উপরে আল্লাহর নাম স্মরণ করে, যে চতুষ্পদ জন্তু আল্লাহ তাদেরকে জীবিকা হিসেবে দিয়েছেন। তারপর তোমরা তা থেকে আহার করো ও দুর্দশাগ্রস্থ ও অভাবগ্রস্থকে আহার করাও। (২২. আল হাজ্জ্ব : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) তারপর তারা যেনো তাদের দৈহিক ময়লা দূর করে নেয়। আর তারা যেনো তাদের মানতগুলো পূর্ণ করে। আর তারা যেনো এই প্রাচীন কাবা ঘরের প্রদক্ষীণ করে।” (২২. আল হাজ্জ্ব : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) তোমরা এসব কথা স্মরণ রেখো। যে ব্যক্তি আল্লাহর সম্মান যোগ্য বিধানাবলীকে সম্মান করে, তাহলে তা তার প্রভুর কাছে তার জন্যে উত্তম। তোমাদের জন্যে চতুষ্পদ জন্তু বৈধ করা হয়েছে, তবে তা ব্যতীত যা তোমাদের কাছে ইতিপূর্বে বলা হয়েছে। সুতরাং তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা বর্জন করো। (২২. আল হাজ্জ্ব : ৩০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস