(১০২) বিশ্বাসীরা দোযখের ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং তারা তাদের নিজেদের মনের বাসনা অনুযায়ী বেহেশতের মধ্যে চিরকাল বসবাস করবে। (২১. আল আম্বিয়া : ১০২)
- ব্যাখ্যা
(১০৩) মহা আতঙ্ক বিশ্বাসীদেরকে দুশ্চিন্তা গ্রস্ত করবে না। আর ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবে ও বলবে, “আজকের দিন হচ্ছে তোমাদের জন্যে সুখের দিন, যে দিনের অঙ্গীকার তোমাদেরকে দেওয়া হয়েছিলো।” (২১. আল আম্বিয়া : ১০৩)
- ব্যাখ্যা
(১০৪) সেই দিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নিবো, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম, সেইভাবে আমি সব কিছুকে পুনরায় সৃষ্টি করবো। অঙ্গীকার রক্ষা করা আমার উপরে দায়িত্ব। নিশ্চয় আমিই অঙ্গীকার সম্পাদনকারী। (২১. আল আম্বিয়া : ১০৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১০৫) অবশ্যই আমি মানুষকে উপদেশ দানের পরে, যবুর গ্রন্থের মধ্যে লিখে দিয়েছি যে, “আমার সৎকর্মশীল বান্দাগণ পৃথিবীর অধিকারী হবে।” (২১. আল আম্বিয়া : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
(১০৮) আপনি বলুন, “আমার কাছে কেবল মাত্র ওহী হয়েছে যে, নিশ্চয় তোমাদের উপাস্য হচ্ছেন একমাত্র উপাস্য। তবে কি তোমরা আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করবে না?” (২১. আল আম্বিয়া : ১০৮)
- ব্যাখ্যা
(১০৯) কিন্তু যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনি বলে দিন যে, “আমি তোমাদেরকে যথাযথ ভাবে সাবধান করেছি। আর আমি জানি না, তোমাদেরকে দেওয়া প্রতিশ্রুত শাস্তি নিকটবর্তী, না কি দূরবর্তী। (২১. আল আম্বিয়া : ১০৯)
- ব্যাখ্যা
(১১১) আমি এটাও জানি না যে, শাস্তি বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে একটি পরীক্ষা কি না। আর হতে পারে যে, এ বিলম্ব কিছু সময় পর্যন্ত তোমাদের জন্যে জীবন ভোগ করার সুযোগ।” (২১. আল আম্বিয়া : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১১২) রসূল বললেন, “হে আমার প্রভু, আপনি ন্যায়ের সাথে আমাদের মধ্যে বিচার করে দিন। তোমরা যা বলছো, ঐ বিষয়ের উপরে আমাদের প্রভু দয়াময় আল্লাহই আমাদের সাহায্যকারী।” (২১. আল আম্বিয়া : ১১২)
- ব্যাখ্যা