(৩৬) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা যখন আপনাকে দেখে, তখন তারা আপনাকে বিদ্রুপের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করে। তারা বলে, “একি ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের উপাস্যদের সমালোচনা করে?” অথচ তারাই দয়াময় আল্লাহর আলোচনায় অবিশ্বাস করে থাকে। (২১. আল আম্বিয়া : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) মানুষকে ত্বরাপ্রবণ স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। আমি শীঘ্রই তোমাদেরকে আমার নিদর্শন সমূহ দেখাবো। অতএব তোমরা আমাকে শীঘ্র করতে বলো না। (২১. আল আম্বিয়া : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা যদি ঐ সময়ের কথা জানতো, যখন তারা তাদের মুখের সামনে ও তাদের পিঠের পিছন থেকে আগুন সরিয়ে দিতে পারবে না আর তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। (২১. আল আম্বিয়া : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) বরং তাদের উপরে হঠাৎ করে শাস্তি আসবে। তারপর তাদেরকে ঐ শাস্তি হতবুদ্ধি করে দিবে। তখন তারা ঐ শাস্তিকে প্রতিরোধ করতে পারবে না। আর তাদেরকে অবকাশও দেওয়া হবে না। (২১. আল আম্বিয়া : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) অবশ্যই আপনার পূর্বেও অনেক রসূলের সাথে বিদ্রুপ করা হয়েছে। তারপর তাদের মধ্যে যারা বিদ্রুপ করেছিলো, ঐ বিষয়ের শাস্তি তাদেরকে পরিবেষ্টন করলো, যে শাস্তির বিষয় নিয়ে তারা বিদ্রুপ করতো। (২১. আল আম্বিয়া : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) আপনি বলুন, “কে তোমাদেরকে দয়াময় আল্লাহর রাতের ও দিনের শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?” বরং তারা তাদের প্রভু আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। (২১. আল আম্বিয়া : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) তবে কি আমি ছাড়া তাদের জন্যে এমন উপাস্যরা আছে, যারা তাদেরকে রক্ষা করবে? বরং ঐ উপাস্যরা তাদের নিজেদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম নয়। আর ঐ উপাস্যরা আমার শাস্তি থেকে রক্ষাও পাবে না। (২১. আল আম্বিয়া : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) বরং আমি এদেরকে ও এদের বাপ-দাদাকে ভোগ সামগ্রী দিয়েছি, এমনকি তাদের জন্যে আয়ুও দীর্ঘ করা হয়েছিলো। সুতরাং তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে সঙ্কুচিত করে আনছি? এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে? (২১. আল আম্বিয়া : ৪৪)
- ব্যাখ্যা